০১:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
                       

মন্দারমণি কোথায়, কেন বিখ্যাত ও কীভাবে যেতে হয়?

জারিন তাসনিম
  • প্রকাশ: ০৮:২১:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ মার্চ ২০২২
  • / ৪৯১১ বার পড়া হয়েছে

মন্দারমণি সমুদ্র সৈকত (Mandarmani Sea Beach)

ব্যস্ততার থেকে মুক্তির স্বাদ পেতে ছুটি কাটানোর আদর্শ একটি জায়গা হলো মন্দারমণি সমুদ্র সৈকত (Mandarmani Sea Beach)। মন্দারমণিতে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত উপভোগ করা বেশ চমৎকার। এছাড়া মন্দারমণি গ্রাম তথা সমুদ্র সৈকতের খুবই শান্তিপূর্ণ পরিবেশ আরামদায়ক। আপনি চাইলে ঘুরে আসতে পারেন মন্দারমণি গ্রাম ও সমুদ্র সৈকত।

মন্দারমণি জায়গাটি কোথায়?

মন্দারমণি হলো ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের একটি সমুদ্রতীরবর্তী পর্যটন কেন্দ্র। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এই অঞ্চলটি বঙ্গোপসাগরের উপকূলে অবস্থিত। মন্দারমনি জায়গাটি বড়ো দুই শহর কলকাতা ও হাওড়ার সঙ্গে ন্যাশনাল হাইওয়ের মাধ্যমে যুক্ত। ভূতাত্ত্বিক দিক দিয়ে দেখতে গেলে, নিকটবর্তী পর্যটনকেন্দ্র দীঘার থেকে এখানে ঢেউয়ের আকার বেশ ছোটো। তবে অনেক জায়গায়, মূলত দাদনপত্রবরে অনেক বালিয়াড়ি দেখতে পাওয়া যায়।

কেন বিখ্যাত মন্দারমণি?

লালকাকড়ার জন্য বিখ্যাত হলো মন্দারমণি। সমুদ্রতীরবর্তী বালিয়াড়িতে প্রচুর লাল কাকড়া দেখতে পাওয়া য়ায়।

মন্দারমণি নামকরণ

বহুদিন এই জায়গাটির নাম মন্দারবনি হিসেবে পরিচিত থাকলেও পরে পরিচিত হয় মদার মণি নামে। এরপর কালক্রমে এটি মন্দারমণি নামে পরিচিত হয়। ধারণা করা হয় যে, স্থানীয় ‘মন্দার’ ফুলের নাম থেকে হয়েছে মন্দারমনি। অনেকে এই জায়গার নাম ‘মন্দারমি’ বা ‘মান্দারমনি’ বা ‘মান্দারমানি’ লিখে থাকলে, এটির স্বীকৃত বানান হলো ‘মন্দারমণি’।

কেন যাবেন মন্দারমণি?

আপনার বাজেট যদি কম হয়ে থাকে তাহলে আপনার জন্য মন্দারমণি হয়ে উঠতে পারে সব থেকে ভালো একটি বিকল্প। তবে অবশ্যই বাংলাদেশ থেকে বা আশেপাশের দেশ বা এমন কি ভারতের অন্যান্য রাজ্য থেকে যারা ভারতে ঘুরতে যেতে চান তাদের জন্য মন্দারমণি এখনো আদর্শ হয়ে ওঠেনি, তাছাড়া এটি পটুয়াখালীর কুয়াকাটা থেকেও এগিয়েও নয়।

আবার পশ্চিমবঙ্গের যারা অর্থ খরচের চিন্তা না করে নিরিবিলিতে সমুদ্রের ধারে কিছুদিন কাটিয়ে আসতে চান, তাদের জন্যেও মন্দারমণি আদর্শ জায়গা।

মন্দারমণিতে সমুদ্রে বোটিংসহ নানা ধরনের অ্যাক্টিভিটি করতে পারবেন। এছাড়াও মন্দারমনির সুবিশাল ড্রাইভিং বিচ আপনার মন কাড়বে। রোজ ভ্যালির তৈরি করা একটি মন্দিরও রয়েছে এবং মোহনা রয়েছে প্রায় পাঁচ কিমি দূরে। তবে পত্রপত্রিকা বলছে, আজকাল মন্দারমণি সৈকতের নিরাপত্তা ব্যবস্থা খুব একটা ভালো নয়।

কীভাবে যেতে হয় মন্দারমণি?

মন্দারমণি যাওয়ার সবচেয়ে সুবিধাজনক পথ হলো সড়কপথ। তবে স্থানীয় পুলিশ বালুচড়ের নিকটবর্তী স্থানে চার চাকা বিশিষ্ট গাড়ি নিয়ে যেতে বাধা দেয়। হোটেল থেকে যাওয়ার জন্য একটি রাস্তা তৈরি করা হয়েছে। এখন থেকে সবচেয়ে নিকটবর্তী রেল স্টেশন হল কাঁথি এবং নিকটবর্তী বিমানবন্দর হল কলকাতা। এছাড়া সকাল ৭ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত আধ ঘণ্টা পরপর অনেক বাস যাতায়াত করে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য সংরক্ষিত রাখুন

লেখকতথ্য

জারিন তাসনিম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং স্বাধীন লেখক।
তাহসান খান এবং মুনজেরিন শহীদের দুটি প্রফেশনাল কমিউনিকেশন কোর্স করুন ২৮% ছাড়ে
তাহসান খান এবং মুনজেরিন শহীদের দুটি প্রফেশনাল কমিউনিকেশন কোর্স করুন ২৮% ছাড়ে

২৮℅ ছাড় পেতে ৩০/০৬/২০২৪ তারিখের মধ্যে প্রোমো কোড “professional10” ব্যবহার করুন। বিস্তারিত জানতে ও ভর্তি হতে ক্লিক করুন এখানে

মন্দারমণি কোথায়, কেন বিখ্যাত ও কীভাবে যেতে হয়?

প্রকাশ: ০৮:২১:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ মার্চ ২০২২

ব্যস্ততার থেকে মুক্তির স্বাদ পেতে ছুটি কাটানোর আদর্শ একটি জায়গা হলো মন্দারমণি সমুদ্র সৈকত (Mandarmani Sea Beach)। মন্দারমণিতে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত উপভোগ করা বেশ চমৎকার। এছাড়া মন্দারমণি গ্রাম তথা সমুদ্র সৈকতের খুবই শান্তিপূর্ণ পরিবেশ আরামদায়ক। আপনি চাইলে ঘুরে আসতে পারেন মন্দারমণি গ্রাম ও সমুদ্র সৈকত।

মন্দারমণি জায়গাটি কোথায়?

মন্দারমণি হলো ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের একটি সমুদ্রতীরবর্তী পর্যটন কেন্দ্র। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এই অঞ্চলটি বঙ্গোপসাগরের উপকূলে অবস্থিত। মন্দারমনি জায়গাটি বড়ো দুই শহর কলকাতা ও হাওড়ার সঙ্গে ন্যাশনাল হাইওয়ের মাধ্যমে যুক্ত। ভূতাত্ত্বিক দিক দিয়ে দেখতে গেলে, নিকটবর্তী পর্যটনকেন্দ্র দীঘার থেকে এখানে ঢেউয়ের আকার বেশ ছোটো। তবে অনেক জায়গায়, মূলত দাদনপত্রবরে অনেক বালিয়াড়ি দেখতে পাওয়া যায়।

কেন বিখ্যাত মন্দারমণি?

লালকাকড়ার জন্য বিখ্যাত হলো মন্দারমণি। সমুদ্রতীরবর্তী বালিয়াড়িতে প্রচুর লাল কাকড়া দেখতে পাওয়া য়ায়।

মন্দারমণি নামকরণ

বহুদিন এই জায়গাটির নাম মন্দারবনি হিসেবে পরিচিত থাকলেও পরে পরিচিত হয় মদার মণি নামে। এরপর কালক্রমে এটি মন্দারমণি নামে পরিচিত হয়। ধারণা করা হয় যে, স্থানীয় ‘মন্দার’ ফুলের নাম থেকে হয়েছে মন্দারমনি। অনেকে এই জায়গার নাম ‘মন্দারমি’ বা ‘মান্দারমনি’ বা ‘মান্দারমানি’ লিখে থাকলে, এটির স্বীকৃত বানান হলো ‘মন্দারমণি’।

কেন যাবেন মন্দারমণি?

আপনার বাজেট যদি কম হয়ে থাকে তাহলে আপনার জন্য মন্দারমণি হয়ে উঠতে পারে সব থেকে ভালো একটি বিকল্প। তবে অবশ্যই বাংলাদেশ থেকে বা আশেপাশের দেশ বা এমন কি ভারতের অন্যান্য রাজ্য থেকে যারা ভারতে ঘুরতে যেতে চান তাদের জন্য মন্দারমণি এখনো আদর্শ হয়ে ওঠেনি, তাছাড়া এটি পটুয়াখালীর কুয়াকাটা থেকেও এগিয়েও নয়।

আবার পশ্চিমবঙ্গের যারা অর্থ খরচের চিন্তা না করে নিরিবিলিতে সমুদ্রের ধারে কিছুদিন কাটিয়ে আসতে চান, তাদের জন্যেও মন্দারমণি আদর্শ জায়গা।

মন্দারমণিতে সমুদ্রে বোটিংসহ নানা ধরনের অ্যাক্টিভিটি করতে পারবেন। এছাড়াও মন্দারমনির সুবিশাল ড্রাইভিং বিচ আপনার মন কাড়বে। রোজ ভ্যালির তৈরি করা একটি মন্দিরও রয়েছে এবং মোহনা রয়েছে প্রায় পাঁচ কিমি দূরে। তবে পত্রপত্রিকা বলছে, আজকাল মন্দারমণি সৈকতের নিরাপত্তা ব্যবস্থা খুব একটা ভালো নয়।

কীভাবে যেতে হয় মন্দারমণি?

মন্দারমণি যাওয়ার সবচেয়ে সুবিধাজনক পথ হলো সড়কপথ। তবে স্থানীয় পুলিশ বালুচড়ের নিকটবর্তী স্থানে চার চাকা বিশিষ্ট গাড়ি নিয়ে যেতে বাধা দেয়। হোটেল থেকে যাওয়ার জন্য একটি রাস্তা তৈরি করা হয়েছে। এখন থেকে সবচেয়ে নিকটবর্তী রেল স্টেশন হল কাঁথি এবং নিকটবর্তী বিমানবন্দর হল কলকাতা। এছাড়া সকাল ৭ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত আধ ঘণ্টা পরপর অনেক বাস যাতায়াত করে।