১২:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ২ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
                       

ই-গভর্নেন্স কী (What Is E-governance)

জারিন তাসনিম
  • প্রকাশ: ০২:০০:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জানুয়ারি ২০২২
  • / ২৪০১১ বার পড়া হয়েছে

বিশ্লেষণ একটি শিক্ষামূলক ওয়েবসাইট


Google News
বিশ্লেষণ-এর সর্বশেষ নিবন্ধ পড়তে গুগল নিউজে যোগ দিন

বিশেষ শর্তসাপেক্ষে এবং স্বল্পমূল্যে এই ওয়েবসাইটটি সামাজিক কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিবর্গ কিংবা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের নিকট বিক্রি করা হবে।

ই-গর্ভনেন্স হলো (e-governance) সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য আধুনিকতম একটি উদ্যোগ। ই-গর্ভনেন্স ব্যবস্থায় একজন নাগরিক স্বল্প ব্যয়ে, ঝামেলাবিহীনভাবে সপ্তাহে সাত দিন; দিনে চব্বিশ ঘন্টা সরকারি সেবা পেতে পারে। ই-গভর্নেন্সে ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা আসে, দুর্নীতি হ্রাস পায়। এখানে এইনি-গভর্নেন্স কী এবং এর উদ্দেশ্য, বৈশিষ্ট্য ও গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হলো।

বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত একটি প্রত্যয় হচ্ছে ই-গর্ভনেন্স। ই-গভর্নেন্স (e-governance)-এর পূর্ণরূপ হলো ইলেক্ট্রনিক গভার্নেন্স (electronic governance)। ই-গভর্নেন্স অর্থ হলো তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর শাসন। অর্থাৎ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে সরকারি সেবা সমাজের সকল মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার যে আধুনিকতম পদ্ধতিকে ই-গভর্নেন্স বা তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর শাসন বলে।

বর্তমান পৃথিবীর উন্নত-অনুন্নতসহ বেশিরভাগ রাষ্ট্রেই ই-গর্ভনেন্স এর বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রসারের ফলে সমাজ জীবনের সকল ক্ষেত্রেই এর প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এখন ইচ্ছে করলে এক মুহূর্তে পৃথিবীর যেকোন প্রান্তে যোগাযোগ ও তথ্য প্রেরণ করা যায়।

বিশ্বব্যাংকের সংজ্ঞায়, ই-গভার্নেন্স হলো সরকারের বিভিন্ন এজেন্সি কর্তৃক তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে নাগরিক, ব্যবসা খাত এবং অন্য সকল প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পর্ক পুনঃনির্ধারণ করা। 

শেয়ার করুন

2 thoughts on “ই-গভর্নেন্স কী (What Is E-governance)

মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য সংরক্ষিত রাখুন

লেখকতথ্য

জারিন তাসনিম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং স্বাধীন লেখক।

বিশেষ শর্তসাপেক্ষে এই ওয়েবসাইটটি সামাজিক কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিবর্গ কিংবা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের নিকট বিক্রি করা হবে।

ই-গভর্নেন্স কী (What Is E-governance)

প্রকাশ: ০২:০০:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জানুয়ারি ২০২২

ই-গর্ভনেন্স হলো (e-governance) সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য আধুনিকতম একটি উদ্যোগ। ই-গর্ভনেন্স ব্যবস্থায় একজন নাগরিক স্বল্প ব্যয়ে, ঝামেলাবিহীনভাবে সপ্তাহে সাত দিন; দিনে চব্বিশ ঘন্টা সরকারি সেবা পেতে পারে। ই-গভর্নেন্সে ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা আসে, দুর্নীতি হ্রাস পায়। এখানে এইনি-গভর্নেন্স কী এবং এর উদ্দেশ্য, বৈশিষ্ট্য ও গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হলো।

বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত একটি প্রত্যয় হচ্ছে ই-গর্ভনেন্স। ই-গভর্নেন্স (e-governance)-এর পূর্ণরূপ হলো ইলেক্ট্রনিক গভার্নেন্স (electronic governance)। ই-গভর্নেন্স অর্থ হলো তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর শাসন। অর্থাৎ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে সরকারি সেবা সমাজের সকল মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার যে আধুনিকতম পদ্ধতিকে ই-গভর্নেন্স বা তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর শাসন বলে।

বর্তমান পৃথিবীর উন্নত-অনুন্নতসহ বেশিরভাগ রাষ্ট্রেই ই-গর্ভনেন্স এর বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রসারের ফলে সমাজ জীবনের সকল ক্ষেত্রেই এর প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এখন ইচ্ছে করলে এক মুহূর্তে পৃথিবীর যেকোন প্রান্তে যোগাযোগ ও তথ্য প্রেরণ করা যায়।

বিশ্বব্যাংকের সংজ্ঞায়, ই-গভার্নেন্স হলো সরকারের বিভিন্ন এজেন্সি কর্তৃক তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে নাগরিক, ব্যবসা খাত এবং অন্য সকল প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পর্ক পুনঃনির্ধারণ করা।