০৩:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
                       

যোগ্যতা, প্রান্তিক যোগ্যতা, শ্রেণি ও বিষয়ভিত্তিক প্রান্তিক যোগ্যতা এবং শিখনফল

বিশ্লেষণ সংকলন টিম
  • প্রকাশ: ০২:১৫:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ নভেম্বর ২০২১
  • / ৪০০০৬ বার পড়া হয়েছে

জ্ঞানের প্রসার, অনুধাবন ক্ষমতার ব্যাপ্তি, ইতিবাচক মানসিকতার পরিবর্তন এবং শারীরিক দক্ষতার উন্নয়ন সাধনের মাত্রা শিখনফলে বিজ্ঞাপিত হয়। প্রকৃতপক্ষে শিখনফল অর্জনের মাধ্যমে পাঠের উদ্দেশ্য অর্জিত হয়।


Google News
বিশ্লেষণ-এর সর্বশেষ নিবন্ধ পড়তে গুগল নিউজে যোগ দিন

বিশেষ শর্তসাপেক্ষে এবং স্বল্পমূল্যে এই ওয়েবসাইটটি সামাজিক কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিবর্গ কিংবা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের নিকট বিক্রি করা হবে।

যোগ্যতা কী?

শিখন শেখানোর মধ্য দিয়ে কোনো জ্ঞান, দক্ষতা ও দৃষ্টিভঙ্গি পরিপূর্ণভাবে আয়ত্ত করার পর শিক্ষার্থী তার বাস্তব জীবনে প্রয়োজনের সময়ে তা কাজে লাগাতে পারলে সেই জ্ঞান, দক্ষতা ও দৃষ্টিভঙ্গিকে তার একটি যোগ্যতা বলা হয়।

উদাহরণ: বাংলা বিষয়ের শিখন শেখানো প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শুদ্ধভাবে ও স্পষ্ট স্বরে কথা বলতে পারার দক্ষতা আয়ত্ত করার পর শিশু যদি নিজ গৃহে এবং বন্ধুদের সাথে শুদ্ধ ভাষায় ও স্পষ্ট স্বরে কথা বলতে পারে অর্থাৎ জীবনের সর্বক্ষেত্রে যদি তা সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে পারে তবে সেটি তার যোগ্যতা বলে বিবেচিত হবে।

প্রান্তিক যোগ্যতা কাকে বলে?

শিক্ষার একেকটি স্তরের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যে সকল যোগ্যতা অর্জন করে তাকে প্রান্তিক যোগ্যতা বলে। পাঁচ বছর মেয়াদি প্রাথমিক শিক্ষা শেষে যে নির্ধারিত যোগ্যতাগুলো অর্জন করবে বলে আশা করা হয় তাকে বাংলাদেশে প্রাথমিক স্তরের প্রান্তিক যোগ্যতা বলে।

উদাহরণ:

  • প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত যে যোগ্যতাগুলো অর্জন করা হবে বলে প্রত্যাশা করা হবে সেগুলো হলো প্রাথমিক শিক্ষা স্তরের প্রান্তিক যোগ্যতা।
  • ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত যে সকল যোগ্যতা শিক্ষার্থীরা অর্জন করবে বলে আশা করা হয় সেগুলো মাধ্যমিক স্তরের প্রান্তিক যোগ্যতা।
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির যোগ্যতা হলো উচ্চমাধ্যমিক স্তরের প্রান্তিক যোগ্যতা।

বিষয়ভিত্তিক প্রান্তিক যোগ্যতা কাকে বলে?

প্রান্তিক যোগ্যতার মধ্য থেকে নির্দিষ্ট বিষয়ের মাধ্যমে যে যোগ্যতা অর্জিত হবে তাকে বিষয়ভিত্তিক প্রান্তিক যোগ্যতা বলে।

শ্রেণিভিত্তিক অর্জন উপযোগী যোগ্যতা কী?

বিভিন্ন শ্রেণিতে ধাপে ধাপে নির্ধারিত যোগ্যতা অর্জনের মাধ্যমে প্রান্তিক যোগ্যতা অর্জিত হয়; শ্রেণিভিত্তিক যোগ্যতার এই বিভাজিত ক্রমকে শ্রেণিভিত্তিক অর্জন উপযোগী যোগ্যতা বলে।

শিখনফল কী?

কোনো একটি পাঠ শেষে শিক্ষার্থী কী জ্ঞান, দক্ষতা ও দৃষ্টিভঙ্গি অর্জন করবে সে সম্পর্কে পূর্ব নির্ধারিত সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট বাক্য হলো শিখনফল। এই শিখনফল অর্জনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীর কোন একটি যোগ্যতা অর্জিত হবে। এই শিখনফলের মাধ্যমে শিক্ষার্থীর আচরণের পরিবর্তন ঘটায় বলে একে আচরণিক উদ্দেশ্যও বলা হয়।

শিখনফল সম্পর্কে জানার জন্য নিচে থেকে ‘শিখনফল’ ট্যাগে ক্লিক করুন, অথবা এখানে ক্লিক করেও শিখনফল সম্পর্কে বিস্তারিত যেমন- সংজ্ঞা, প্রকৃতি, বৈশিষ্ট্য ইত্যাদি জানা সম্ভব হবে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য সংরক্ষিত রাখুন

বিশেষ শর্তসাপেক্ষে এই ওয়েবসাইটটি সামাজিক কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিবর্গ কিংবা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের নিকট বিক্রি করা হবে।

যোগ্যতা, প্রান্তিক যোগ্যতা, শ্রেণি ও বিষয়ভিত্তিক প্রান্তিক যোগ্যতা এবং শিখনফল

প্রকাশ: ০২:১৫:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ নভেম্বর ২০২১

যোগ্যতা কী?

শিখন শেখানোর মধ্য দিয়ে কোনো জ্ঞান, দক্ষতা ও দৃষ্টিভঙ্গি পরিপূর্ণভাবে আয়ত্ত করার পর শিক্ষার্থী তার বাস্তব জীবনে প্রয়োজনের সময়ে তা কাজে লাগাতে পারলে সেই জ্ঞান, দক্ষতা ও দৃষ্টিভঙ্গিকে তার একটি যোগ্যতা বলা হয়।

উদাহরণ: বাংলা বিষয়ের শিখন শেখানো প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শুদ্ধভাবে ও স্পষ্ট স্বরে কথা বলতে পারার দক্ষতা আয়ত্ত করার পর শিশু যদি নিজ গৃহে এবং বন্ধুদের সাথে শুদ্ধ ভাষায় ও স্পষ্ট স্বরে কথা বলতে পারে অর্থাৎ জীবনের সর্বক্ষেত্রে যদি তা সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে পারে তবে সেটি তার যোগ্যতা বলে বিবেচিত হবে।

প্রান্তিক যোগ্যতা কাকে বলে?

শিক্ষার একেকটি স্তরের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যে সকল যোগ্যতা অর্জন করে তাকে প্রান্তিক যোগ্যতা বলে। পাঁচ বছর মেয়াদি প্রাথমিক শিক্ষা শেষে যে নির্ধারিত যোগ্যতাগুলো অর্জন করবে বলে আশা করা হয় তাকে বাংলাদেশে প্রাথমিক স্তরের প্রান্তিক যোগ্যতা বলে।

উদাহরণ:

  • প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত যে যোগ্যতাগুলো অর্জন করা হবে বলে প্রত্যাশা করা হবে সেগুলো হলো প্রাথমিক শিক্ষা স্তরের প্রান্তিক যোগ্যতা।
  • ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত যে সকল যোগ্যতা শিক্ষার্থীরা অর্জন করবে বলে আশা করা হয় সেগুলো মাধ্যমিক স্তরের প্রান্তিক যোগ্যতা।
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির যোগ্যতা হলো উচ্চমাধ্যমিক স্তরের প্রান্তিক যোগ্যতা।

বিষয়ভিত্তিক প্রান্তিক যোগ্যতা কাকে বলে?

প্রান্তিক যোগ্যতার মধ্য থেকে নির্দিষ্ট বিষয়ের মাধ্যমে যে যোগ্যতা অর্জিত হবে তাকে বিষয়ভিত্তিক প্রান্তিক যোগ্যতা বলে।

শ্রেণিভিত্তিক অর্জন উপযোগী যোগ্যতা কী?

বিভিন্ন শ্রেণিতে ধাপে ধাপে নির্ধারিত যোগ্যতা অর্জনের মাধ্যমে প্রান্তিক যোগ্যতা অর্জিত হয়; শ্রেণিভিত্তিক যোগ্যতার এই বিভাজিত ক্রমকে শ্রেণিভিত্তিক অর্জন উপযোগী যোগ্যতা বলে।

শিখনফল কী?

কোনো একটি পাঠ শেষে শিক্ষার্থী কী জ্ঞান, দক্ষতা ও দৃষ্টিভঙ্গি অর্জন করবে সে সম্পর্কে পূর্ব নির্ধারিত সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট বাক্য হলো শিখনফল। এই শিখনফল অর্জনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীর কোন একটি যোগ্যতা অর্জিত হবে। এই শিখনফলের মাধ্যমে শিক্ষার্থীর আচরণের পরিবর্তন ঘটায় বলে একে আচরণিক উদ্দেশ্যও বলা হয়।

শিখনফল সম্পর্কে জানার জন্য নিচে থেকে ‘শিখনফল’ ট্যাগে ক্লিক করুন, অথবা এখানে ক্লিক করেও শিখনফল সম্পর্কে বিস্তারিত যেমন- সংজ্ঞা, প্রকৃতি, বৈশিষ্ট্য ইত্যাদি জানা সম্ভব হবে।