নতুন শিক্ষা কারিকুলামে প্রত্যাশা

নতুন শিক্ষা কারিকুলাম প্রণয়ন এবং প্রয়োগের মধ্য দিয়ে আমরাও সামনের দিকে এগিয়ে যাব। সত্যকে সত্য বলে এবং মিথ্যাকে মিথ্যা বলে চিহ্নিত করে সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করার মাধ্যমে নৈতিক চর্চা চালিয়ে যেতে পারব। সময়োপযোগী একটি শিক্ষা কারিকুলামের মধ্য দিয়ে আমাদের ঘুণে ধরা সমাজের পরিবর্তন করে নিখাদ সংস্কৃতির বৈষম্যহীন সম্প্রীতির সমাজ গড়ে তুলতে পারব। শিক্ষার নতুন কারিকুলামে আমাদের চিন্তার বিকাশ ঘটবে, জানার ইচ্ছে জাগবে, নতুন নতুন প্রশ্ন এবং উত্তর তৈরি হবে।

শিক্ষা প্রত্যেক নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার। শিক্ষা হবে সর্বজনীন। শিক্ষা হবে সহজলভ্য, প্রাণচাঞ্চল্য। শিক্ষা হবে মানবিক, আধুনিক, বিজ্ঞানভিত্তিক, যুক্তিনির্ভর। শিক্ষা মানুষকে লড়তে শেখায় সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে। শিক্ষা মুখস্থ করার কোনো বিষয় নয়,  শিক্ষা আত্মস্ত করার। শিক্ষা মানুষকে পূর্ণতা দান করে। সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটায়। শিক্ষা সম্প্রীতির বন্ধন গড়ে তুলে মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হতে শেখায় সকল অন্যায় ও কূপম-ূকতার বিরুদ্ধে। শিশুরা, শিক্ষার্থীরা শিখবে আনন্দের সঙ্গে, উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে আগ্রহের সঙ্গে।

সেই দিক থেকে বিজয়ের ৫২ বছরেও আমাদের শিক্ষা কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য থেকে অনেক দূরে। এখনো পর্যন্ত আমরা একটি পূর্ণাঙ্গ শিক্ষানীতি ও শিক্ষাক্রম তৈরি করতে পারিনি। যেখানে শিক্ষা হবে দেশপ্রেমভিত্তিক সর্বজনীন, বিজ্ঞানভিত্তিক। একই ধারার এবং শিক্ষার মাধ্যম হবে মাতৃভাষা। শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার ভীতিমুক্ত থাকবে। আমাদের দেশের মতো শিক্ষার এমন হ-য-ব-র-ল অবস্থা বিশ্বের অন্য কোনো দেশে আছে বলে আমাদের জানা নেই। শিক্ষার এমন হ-য-ব-র-ল অবস্থার মধ্যেও শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্তরে দক্ষতা এবং কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখে চলছে।

আমরা যে মেধাবী তারও প্রমাণ পাওয়া যায়। যদি মেধা বিকাশের পর্যাপ্ত আয়োজন থাকে, আমরা অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারব। একটি আধুনিক এবং সৃজনশীল মেধা বিকাশ সহায়ক শিক্ষাক্রমের মধ্য দিয়ে আমরা শিক্ষার কাক্সিক্ষত লক্ষ্য অর্জনে সফল হতে পারব বলে বিশ্বাস রাখি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে  সীমাহীন ক্ষতিগ্রস্ত দেশ জাপান আজকে উন্নত এবং সভ্য দেশগেুলোর মধ্যে অন্যতম। এটা শুধু সম্ভব হয়েছে জাপানের দেশপ্রেমভিত্তিক সর্বজনীন, বিজ্ঞানভিত্তিক একই ধারার এবং মাতৃভাষাভিত্তিক শিক্ষার মাধ্যমে। একটি আধুনিক শিক্ষা কারিকুলাম প্রণয়নের মধ্য দিয়ে তারা আজকের সফল অবস্থানে।

নতুন শিক্ষা কারিকুলাম প্রণয়ন এবং প্রয়োগের মধ্য দিয়ে আমরাও সামনের দিকে এগিয়ে যাব। সত্যকে সত্য বলে এবং মিথ্যাকে মিথ্যা বলে চিহ্নিত করে সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করার মাধ্যমে নৈতিক চর্চা চালিয়ে যেতে পারব। সময়োপযোগী একটি  শিক্ষা কারিকুলামের মধ্য দিয়ে আমাদের ঘুণে ধরা সমাজের পরিবর্তন করে নিখাদ সংস্কৃতির বৈষম্যহীন সম্প্রীতির সমাজ গড়ে তুলতে পারব। শিক্ষার নতুন কারিকুলামে আমাদের চিন্তার বিকাশ ঘটবে, জানার ইচ্ছে জাগবে, নতুন নতুন প্রশ্ন এবং উত্তর তৈরি হবে।

অবশেষে ২০২৩ সালে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণি এবং ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের ধাপ শুরু করা হচ্ছে। কারিকুলামের মূল অংশটুকু পাঠকদের উদ্দেশে উপস্থাপনের মাধ্যমে আলোচনার চেষ্টা করছি। নতুন শিক্ষাক্রমের লক্ষ্য পড়াশোনা হবে আনন্দময়। বিষয়বস্তু ও পাঠ্যপুস্তকের বোঝা এবং চাপ কমানো হবে। গভীর শিখনে গুরুত্ব দেওয়া হবে। মুখস্থ নির্ভরতার বিষয়টি যেন না থাকে। এর বদলে অভিজ্ঞতা ও কার্যক্রমভিত্তিক শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

শিক্ষার্থীর দৈহিক ও মানসিক বিকাশে খেলাখুলা ও অন্যান্য কার্যক্রমকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। ক্লাস শেষে যেন শিক্ষার্থীরা নিজেদের মতো সময় কাটাতে পারে। পড়াশোনার বাইরে খেলাধুলা বা অন্যান্য বিষয়ের সুযোগ কমে গেছে, এটি যেন না হয়। জ্ঞান, দক্ষতা, মূল্যবোধ ও দৃষ্টিভঙ্গির সমন্বয়ে যোগ্যতা অর্জন করতে হবে।

২০২৪ সালে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণি এবং অষ্টম ও নবম শ্রেণি এ শিক্ষাক্রমের আওতায় আসবে। ২০২৫ সালে পঞ্চম ও দশম শ্রেণি যুক্ত হবে। ২০২৬ সালে একাদশ ও ২০২৭ সালে দ্বাদশ শ্রেণি যুক্ত হবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সমন্বয় রেখে বর্তমান শিক্ষা কারিকুলামে আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। শিক্ষায় আমরা এগিয়ে যাব পুরাতন মুখস্থ করার পদ্ধতি থেকে আত্মস্ত করার পথে। প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত চলমান শিক্ষাক্রমের ভুলত্রুটি সংশোধন, আন্তর্জাতিক মান ও সময়ের চাহিদা বিবেচনা করে পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। যা প্রশংসার দাবিদার।

দেশের স্বার্থে প্রয়োজনে এই শিক্ষা কারিকুলামকে আরও বিশেষভাবে পর্যালোচনা করা যেতে পারে। এটি বাস্তবায়নের ফলে মাধ্যমিক পর্যন্ত কোনো বিভাগ বিভাজন থাকছে না। ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি সবাইকে পড়তে হবে ১০টি বিষয়। একইভাবে সবাই মিলে একই সত্যকে জানতে পারবে। নিজেদের মধ্যে বিভাজনের পরিবর্তে সৃষ্টি হবে ঐক্য। দশম শ্রেণির পাঠ্যসূচির ওপরই অনুষ্ঠিত হবে এসএসসি পরীক্ষা। একাদশ শ্রেণিতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের বিভাগ পছন্দ করতে হবে।

একাদশ শ্রেণি শেষে পরীক্ষা এবং দ্বাদশ শ্রেণি শেষে পরীক্ষা নেওয়া হবে। এই দুই পরীক্ষার ফলের সমন্বয়ে তৈরি হবে এইচএসসির ফল। এ ছাড়াও প্রাথমিকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত কোনো পরীক্ষা থাকছে না। চতুর্থ থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়তে হবে আটটি বই। তবে সব শ্রেণিতেই শিখনকালীন মূল্যায়নেই বেশি জোর দেওয়া হয়েছে। বর্তমান পদ্ধতিতে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষা থাকছে না।

শিক্ষার্থীরা যেন মানসিক দৃঢ়তা ধরে রাখতে পারে, এ জন্য কিছু মৌলিক জ্ঞান এ বিষয়ের মাধ্যমে শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাবে। এর ফলে শিশুরা সব ধরনের প্রতিকূলতা মোকাবিলা করার সক্ষমতা অর্জন করবে। জন্ম থেকেই আমাদের সবাইকে (ছেলে ও মেয়ে) প্রজননের অনেক ধাপ অতিক্রম করতে হয়। এ বিষয়ে যেন শিক্ষার্থীরা সুস্পষ্ট ধারণা পায়, এ জন্য ‘শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষা’ বিষয়ে প্রজনন স্বাস্থ্য নামে অধ্যায় রাখা হয়েছে।

অন্যদিকে, ‘জীবন ও জীবিকা’ বিষয়টি হবে পেশাভিত্তিক। নবম ও দশম শ্রেণিতে এ বিষয়ে বাধ্যতামূলকভাবে প্রত্যেক শিক্ষার্থী কৃষি, সেবা বা শিল্প খাতের একটি পেশায় দক্ষতা অর্জন করবে। এতে দশম শ্রেণি শেষে একজন শিক্ষার্থী যে কোনো একটি পেশায় নিজেকে নিয়োজিত করতে পারবে। শিক্ষার্থীরা আর চাপে নয়, বরং আনন্দের সঙ্গে শিখবে। জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখা-২০২১ সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন কারিকুলামে সব শ্রেণিতে জোর দেওয়া হবে শিখন পদ্ধতির ওপর। বর্তমান পাঠ্যক্রমে আমাদের একটি বিষয় আছে যার নাম ‘চারুকলা’।

নতুন শিক্ষাক্রমে এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘শিল্প ও সংস্কৃতি’। এর ফলে এ বিষয়ে শিখন ক্ষেত্র অনেক বাড়বে। আগে যেমন এ বিষয়ে শুধু চারুকলাকে ফোকাস করা হতো, এখন চারুকলার পাশাপাশি নৃত্যকলা, নাট্যকলা, সংগীত ইত্যাদি বিষয় থেকে শিক্ষার্থী জানতে পারবে। বিষয়টি প্রাথমিকে থাকবে শিল্পকলা নামে এবং মাধ্যমিকে শিল্প ও সংস্কৃতি নামে। অন্যদিকে ‘শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষা’ বিষয়ে শিক্ষার্থীরা স্বাস্থ্য সম্পর্কিত মৌলিক বিষয়ের পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যের বিভিন্ন বিষয়ের সঙ্গেও পরিচিত হতে পারবে।

বর্তমান শিক্ষাক্রমে আমাদের আইসিটি নামে একটি বিষয় আছে। এই বিষয়টির ব্যাপ্তি বাড়িয়ে এর নাম দেয়া হয়েছে ‘ডিজিটাল প্রযুক্তি’। এর ফলে শিক্ষার্থীরা আইসিটির প্রাথমিক জ্ঞান আহরণ করার পাশাপাশি ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের সতর্কতা, অনলাইন ক্রাইম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের নিয়মকানুন ইত্যাদি সম্পর্কে জানতে পারবে।

দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা, আমাদের একটি বিজ্ঞানভিত্তিক একটি শিক্ষা কারিকুলাম হবে। ২০২৩ সালের নতুন শিক্ষা কারিকুলাম আমাদের সেই প্রত্যাশা পূরণ করবে বলে বিশ্বাস করি। নতুন কারিকুলামের বইগুলো অবশ্যই  বিজ্ঞানভিত্তিক, চিন্তাশীল এবং সঠিক  তথ্যনির্ভর হতে হবে। নতুন কারিকুলামের সফল বাস্তবায়নের জন্য শিক্ষকদের পর্যাপ্ত এবং মানসম্পন্ন প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। কারিকুলামের সফলতার জন্য বিদ্যালয় এবং শিক্ষকদের নিয়মিত মনিটরিং করতে হবে। সংশ্লিষ্ট সকলকে জবাবদিহির মধ্যে নিয়ে আসতে পারলেই কারিকুলাম সফল করা সহজ হবে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, কর্মকর্তা ও অভিভাবকদের শতভাগ আন্তরিক হতে হবে। শিক্ষকদের জন্য উদ্দীপনামূলক পুরস্কারের আয়োজনও করা যেতে পারে। শিক্ষকরা  তাদের সন্তানদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করালে এই কারিকুলামের সাফল্য আসবে দক্ষতার সঙ্গে।

দেশে বর্তমানে কো-কারিকুলাম খুবই অবহেলিত। ফলে, বর্তমান শিক্ষায় শিক্ষিতরা এক ধরনের স্বার্থপর হয়ে বেড়ে উঠছে। শিক্ষা যেখানে মানুষের মধ্যে দায়বোধ শেখায়, সেখানে বর্তমান শিক্ষা আমাদের উল্টো পথে হাঁটতে শেখাচ্ছে। দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, সমসাময়িক প্রযুক্তি, জ্ঞান-বিজ্ঞান, শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর অধিক গুরুত্ব দিয়ে ২০২৩ সালের শিক্ষা কারিকুলাম প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। সেই সঙ্গে শিক্ষাও পূর্ণতা লাভ করবে। আগামী দিনে আমরা একটি দক্ষ  এবং সৃজনশীল জাতি পাব।

যার ওপর ভর করে আমরা বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারব। তবে তা নির্ভর করবে ইতিবাচক মানসিকতা, নৈতিকতা এবং সততার ওপর। পানি ছাড়া যেমন মাছ বাঁচতে পারে না, তেমনি শিক্ষক ছাড়াও শিক্ষার্থী আলোকিত হতে পারে না। শিক্ষকদের সম্মানজনক বেতনভাতাসহ সামাজিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। শিক্ষা কারিকুলাম হবে শিক্ষাবান্ধব, শিক্ষার্থীবান্ধব, উন্নয়ন ও উন্নতিবান্ধব। সততা, দক্ষতা, প্রজ্ঞার মধ্য দিয়ে নতুন শিক্ষা কারিকুলামের সাফল্য কামনা করছি।

লেখক : শিক্ষক

এ বিষয়ের আরও নিবন্ধ

বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগে ইউজিসির স্বতন্ত্র কমিশন গঠনের প্রস্তাব: দুর্নীতি প্রতিরোধ করতে পারবে?

জানুয়ারি ১২, ২০২৩ তারিখ সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের কাছে বাংলাদেশের ইউনিভার্সিটি গ্রান্ট কমিশন (ইউজিসি) ১৭ দফা সুপারিশ সহ একটি বার্ষিক প্রতিবেদন...

‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বাস্তবায়নের জন্য যা প্রয়োজন

স্মার্ট বাংলাদেশ মানেই আধুনিক কারিগরি প্রযুক্তির সর্বাত্মক ব্যবহার নয়। একজন মানুষ সে নারী অথবা পুরুষ হোক না কেন তার সাজসজ্জা পোশাক-আশাক, চলন-বলন...

প্রবাসে নাগরিকত্ব গ্রহণকারী বাংলাদেশি ও রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের নিয়ে কৌশল, চ্যালেঞ্জ এবং এগিয়ে যাওয়ার পথ বাধা সমন্বয়হীনতা  

বাংলাদেশ হাই কমিশন, লন্ডন এর উদ্যোগে এবং অনুরোধে গত ১৮ ডিসেম্বর ২০২২ তারিখে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক স্মারকে জানানো হয়েছে যে, এখন থেকে...

দেশের উন্নয়নে নারী শিক্ষা

প্রাচীনকাল থেকে আমাদের দেশে প্রচলিত আছে যে, ‘সংসার সুখী হয় রমণীর গুণে’। মানবসমাজে নারী ও পুরুষ পরস্পর নির্ভরশীল হলেও আগেকার দিনে নারীকে...
আরও পড়তে পারেন

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বলতে কী বোঝায় এবং ভারতীয় উপমহাদেশে রাজনীতি বা রাষ্ট্রচিন্তা

রাষ্ট্রবিজ্ঞান (Political Science) সমাজবিজ্ঞানের একটি শাখাবিশেষ যেখানে পরিচালন প্রক্রিয়া, রাষ্ট্র, সরকার এবং রাজনীতি সম্পর্কীয় বিষয়াবলী নিয়ে আলোকপাত করা হয়।  এরিস্টটল রাষ্ট্রবিজ্ঞানকে রাষ্ট্র...

গণতন্ত্রের সংজ্ঞা কী বা গণতন্ত্র বলতে কী বোঝায়

গণতন্ত্র বলতে কোনো জাতিরাষ্ট্রের অথবা কোনো সংগঠনের এমন একটি শাসনব্যবস্থাকে বা পরিচালনাব্যবস্থাকে বোঝায় যেখানে নীতিনির্ধারণ বা সরকারি প্রতিনিধি নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রত্যেক নাগরিক...

সমাজতন্ত্র কী? সমাজতন্ত্রের উৎপত্তি, ইতিহাস, বৈশিষ্ট্য, সুবিধা, অসুবিধা ও অর্থনীতি

সোভিয়েত ইউনিয়নে সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র কায়েম করা হয়েছিল ১৯১৭ সালে। সমাজতন্ত্রে বৈরি শ্রেণি নেই, কেননা কলকারখানা, ভূমি, সবই সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সম্পত্তি। সমাজতন্ত্রে শ্রেণি...

জীবনী: সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী

সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী ছিলেন একজন বাঙালি লেখক ও কবি। তিনি উনিশ ও বিশ শতকে বাঙালি মুসলিম পুনর্জাগরণের প্রবক্তাদের একজন। সিরাজী মুসলিমদের...

জীবনী: সুভাষ মুখোপাধ্যায়

বাঙালি সম্প্রদায়ের মধ্যে খুবই জনপ্রিয় একটি হলো "ফুল ফুটুক না ফুটুক, আজ বসন্ত"; এই উক্তিটি কার জানেন? উক্তিটি পশ্চিমবঙ্গের কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের।...

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here