প্রয়োজন স্বাস্থ্যকর সুষম খাবার, ক্ষতিকর খাবারের ব্যাপারে আমরা কতটা সচেতন

কোমল পানীয় ও এনার্জি ড্রিংক ছেড়ে দিন। চা, কফি, মিষ্টি পরিমিত। মদ ও মাদক হারাম করুন। জাংক ফুডে প্রচুর চিনি ও চর্বি থাকে বলে এমন খাবার খেলে ওজন বেড়ে যাওয়াসহ উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, স্ট্রোক, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, ক্যানসারের মতো বহু জটিল রোগের উৎপত্তি হয়।

সারা বিশ্বে কোমল পানীয় আর জাংক ফুডের তাণ্ডব চলছে। আমেরিকানরা প্রতি বছর ২০ বিলিয়ন গ্যালন সোডা বা গড়ে ৮০০ বোতল কোমল পানীয় পান করে। বাংলাদেশের মানুষও কোমল পানীয় (কোক, পেপসি, সেভেন আপ ইত্যাদি) পানে কম  যায় না।

কী আছে এসব পানীয়তে? কত খারাপ ও ক্ষতিকর এসব পানীয়? আমরা বেশি কিছু জানি না। জানলে অবশ্যই এসব পানীয় মানুষ পান করত না। 

বলি শুনুন। ৩৫৫ মিলি কোমল পানীয়তে রয়েছে ১২ চামচ চিনি বা ক্ষতিকর উচ্চ মাত্রার ফ্রুকটোজ কর্ন সিরাপ। এই সিরাপ তৈরি হয় জেনেটিক্যালি মডিফাইড শস্য থেকে যা স্বাস্থ্যসম্মত নয় বলে তুমুল বিতর্ক রয়েছে। মাত্রাতিরিক্ত চিনি হার্টের রক্তনালিতে প্রবাহ সৃষ্টি করে যা হার্ট অ্যাটাকের অন্যতম কারণ। রয়েছে ফসফোরিক অ্যাসিড যা পানীয়র পিএইচকে ৩.২-তে নামিয়ে আনে এবং প্রচণ্ড অ্যাসিডিক এই পিএইচ শরীরের জন্য ভীষণ ক্ষতিকর। ফসফোরিক অ্যাসিড না থাকলে যে পরিমাণ চিনি পানীয়র মাধ্যমে আমরা গ্রহণ করি তা বমি হয়ে যেত। কোমল পানীয়তে শিশুর দাঁত রাখলে তা দুয়েক দিনে গলে যায়।

বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ কোমল পানীয় পান করে টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়। ৬ লাখ মানুষের মধ্যে পরিচালিত এক জরিপে বলা হয়, অতিরিক্ত চিনি, ফসফোরিক অ্যাসিড, সোডিয়াম বাইকার্বনেট, কেরামেল রং, ক্যাফেইন ও আরো অসংখ্য অজানা উপকরণসমৃদ্ধ কোমল পানীয় পান করে প্রতি বছর ১ লাখ ৩১ হাজার মানুষ ডায়াবেটিস, ৪৫ হাজার হার্ট অ্যাটাক এবং সাড়ে ৬ হাজার ক্যানসারে মারা যায়। কোমল পানীয় পান করে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের ওজন বেড়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের শিশু ও বয়স্ক মানুষের মধ্যেও ওজন বাড়ার প্রবণতা মারাÍক হয়ে দেখা দিয়েছে। উচ্চ মাত্রার ক্যাফেইন স্নায়ু উত্তেজক যা ঘুমের সমস্যা সৃষ্টি করে। 

ক্যাফেইন রক্তচাপ ও আসক্তি বাড়ায়। শিশুদের কোমল পানীয় পান থেকে বিরত রাখুন। কোমল পানীয় শিশুদের দাঁত নষ্ট ও শরীরের ক্ষতি করে। কোমল পানীয় অনেক ওষুধের কার্যকারিতা হ্রাস বা ধ্বংস করে। টিনজাত কোমল পানীয় ভয়ঙ্কর। কারণ, টিনের ভেতরের দেওয়ালে থাকে বিসফেনল যা ক্যানসার সৃষ্টি করে। অ্যাসপারটেম-সমৃদ্ধ জিরো ক্যালরির কোমল পানীয় আরো খারাপ। অ্যাসপারটেম-সমৃদ্ধ কোমল পানীয় ক্যানসার সৃষ্টি করতে পারে।

অনেকেই কমোড ও বেসিনের দাগ তোলার জন্য ডিটারজেন্ট হিসেবে কোক-পেপসি ব্যবহার করে। তাই আপনারা সবাই কোমল পানীয় বর্জন করুন, প্রচুর পানি পান করুন। আপনারা সুস্থ থাকুন। 

চিনি আমাদের কী ক্ষতি করে? চিনি অনেক ক্ষতি করে। নিকট অতীতে আমেরিকায় চিনি সংক্রান্ত এক অবিশ্বাস্য কেলেঙ্কারি উদ্ঘাটিত হয়েছে। সুগার অ্যাসোসিয়েশন রিসার্চ প্রোজেক্ট ২২.৬ এর আওতায় হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের খ্যাতনামা দুজন গবেষককে ৫০ হাজার ডলার ঘুষ দিয়েছিল চিনি বাদ দিয়ে হার্ট অ্যাটাকের জন্য চর্বি ও কোলেস্টেরলকে দায়ী করে গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করার জন্য। 

১৯৬৭ সালে প্রকাশিত হার্ভার্ডের গবেষণা প্রবন্ধে হার্ট অ্যাটাকের জন্য একতরফাভাবে চর্বি ও কোলেস্টেরলকে দায়ী করা হয়। অথচ পরিমিত চর্বি ও কোলেস্টেরল হার্ট অ্যাটাকের মূল কারণ নয়। কোলেস্টেরল ছাড়া এক দণ্ডও আমাদের শরীর চলে না। অথচ এই মহা উপকারী কোলেস্টেরলকে মহা কালপ্রিট বানিয়ে ছাড়ল ঘুষখোর দুই গবেষক। সেই গবেষণায় চিনির সব ক্ষতিকর দিকগুলোকে বেমালুম চেপে যাওয়া হয়।

পরবর্তী অনেক গবেষণায় প্রমাণিত হয় যে, চিনি হলো এক মহাকালপ্রিট যার কারণে শরীরে বহু রোগের উৎপত্তি হচ্ছে। কার্ডিয়াক প্রবলেম, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, ডায়াবেটিস, স্থূলতা, শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস, কিডনি ফেলিয়ারসহ অসংখ্য রোগের উৎপত্তির কারণ চিনি। চিনি হার্টের রক্তনালির অভ্যন্তরীণ দেওয়ালে প্রদাহ সৃষ্টি করার মাধ্যমে ক্ষত সৃষ্টি করে। এই ক্ষতে আঁশ, প্লেটিলেট, লাইপোফেইজ, চর্বি ও ক্ষতিকর কোলেস্টেরল ও ট্রান্স ফ্যাট জমে গিয়ে ইশকিমিয়া ও মাইওকার্ডিয়াল ইনফার্কশন সৃষ্টি করে। এর ফলে মানুষ অসুস্থ হয় অথবা কার্ডিয়াক ফেলিয়ারের কারণে মারা যায়।

লক্ষ্য করলে দেখতে পাবেন, ডায়াবেটিসের রোগীরা হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকে বেশি মারা যায়। কালপ্রিট চিনি অব্যাহতি পাওয়ার পর সুগার অ্যাসোসিয়েশন মওকা পেয়ে গেল এবং এই সুযোগ সদ্ব্যবহার করে সারা বিশ্বব্যাপী বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের চিনি, চিনিসমৃদ্ধ কোমল পানীয়, এনার্জি ড্রিংক, আইসক্রিম, মিষ্টি ও মিষ্টিজাতীয় খাবারের ব্যবসা চালিয়ে যাবার অবাধ স্বাধীনতা পেয়ে গেল।

বর্তমানে বিশ্বের ৪০ শতাংশ মানুষ স্থূল এবং এই স্থূলতার মূল কারণ চিনি। চিনি ও পরিশোধিত চিনির খাবার খেয়ে বিশ্বে লাখ লাখ মানুষ হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকে মারা যাচ্ছে। ৫০ বছর আগে প্রফেসর ইয়াদগিন প্রাণী ও মানুষের ওপর গবেষণা চালিয়ে বলেছিলেন, চর্বি ও কোলেস্টেরল নয়, চিনিই হার্ট অ্যাটাকের আসল কারণ।

ক্ষতিকর খাবারের ব্যাপারে আমরা কতটা সচেতন?

২০১৪ সালে কার্ডিওলোজিস্ট এটকিন বলেছিলেন, হাই ফ্যাট ও লো কার্বোহাইড্রেট ডায়েট মানুষের ওজন কমায়, লো ফ্যাট ডায়েট নয়। এই একই কথাগুলো আমি বলে আসছি বহু বছর ধরে। মানুষ শুনছে আর বিশ্বাসও করছে। কিন্তু পুষ্টিবিদ ও চিকিৎসকরা বিশ্বাস করে না। তারা রোগী ও সুস্থ মানুষকেও ডিম, দুধ, বাটার, পনির এবং অন্যান্য কোলেস্টেরলসমৃদ্ধ খাবার খেতে নিষেধ করে, অথচ কোল্ড ড্রিংক, এনার্জি ড্রিংক, আইসক্রিম, টফি, ক্যান্ডি, চকলেট, অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট, চিনি বা চিনিসমৃদ্ধ খাবার খেতে নিষেধ করে না। অবাক কাণ্ড !

পানির উপকারিতা কী ও কোমল পানীয়র পরিনর্তে কেন পানি খাবেন? কেন কোমল পানীয়র পরিবর্তে পানি খাবেন তা জানা জরুরি। আমাদের শরীরের ৭২ শতাংশ  পানি। হাড়ের এক-চতুর্থাংশ, পেশির তিন-চতুর্থাংশ, মস্তিষ্কের ৮৫ শতাংশ, রক্ত ও ফুসফুসের ৮০ শতাংশ হলো পানি। পর্যাপ্ত পানি পান করলে শরীর থেকে অতি সহজে বর্জ্য পরিষ্কার হয়ে যায় এবং কোষে পর্যাপ্ত পুষ্টি ঢুকতে পারে।

প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি পান করলে ৮০ শতাংশ ভুক্তভোগীর পিঠ ও গিঁটের ব্যথা সেরে যায়। শরীরের ২ শতাংশ পানিস্বল্পতা দেখা দিলে সাময়িকভাবে স্মৃতিশক্তি লোপ পেতে পারে। প্রতিদিন পাঁচ গ্লাস পানি পান করলে মলাশয়ের ক্যানসার ঝুঁকি ৪৫ শতাংশ, স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি ৭৯ শতাংশ এবং ব্লাডার ক্যানসারের ঝুঁকি ৫০ শতাংশ কমে যায়। 

প্রয়োজন স্বাস্থ্যকর সুষম খাবার

স্বাস্থ্যকর সুষম খাবার সুস্থ জীবনের জন্য অপরিহার্য। অতি ভোজন বর্জনীয়। খাওয়ার আগে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিন। রাস্তার খাবার খাবেন না। খাবার হতে হবে কম ক্যালরিযুক্ত এবং বেশি পুষ্টিসমৃদ্ধ

আমাদের খাবারের অর্ধেক হতে হবে শাকসবজি ও ফুলমূল। বাকি খাদ্যের মধ্যে থাকতে হবে ভুসিসমৃদ্ধ শস্য, বাদাম, বিভিন্ন ধরনের বিচি। তেল হিসেবে তিসির তেল, অলিভ অয়েল ভালো। সালাদ হতে হবে খাবারের অপরিহার্য অংশ। পরিশোধিত শর্করা, চিনি, সাদা রুটি, ময়দা, পেস্তা, কেক, কুকিজ, পিৎজা ও পেস্ট্রি খাবেন না, সম্পূর্ণ পেস্তা, চাল ও আটা খাবেন।

খাসি ও গোরুর গোশত যত কম তত ভালো। প্রোটিন হিসেবে মাছ ও মুরগির (ফার্মের নয়) গোশত উৎকৃষ্ট। ট্রান্সফ্যাট বা পোড়া তেল, ফ্রি রেডিক্যাল ও চিনি হৃদরোগ ও স্ট্রোকের কারণ। ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরের জন্য বিশেষ উপকারি।

কাঁচা লবণ খাওয়া ছেড়ে দিন। ডিম, দুধ ও দই স্বাস্থ্যকর খাবার। ভিটামিন-সি, বিটা ক্যারোটিন বা ভিটামিন এ, ভিটামিন-ই, সেলেনিয়াম ও পলিফেনোল শরীরের জন্য বিশেষ উপকারী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। সব অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, আঁশ ও খনিজের উৎকৃষ্ট উৎস ফলমূল, শাকসবজি ও সবুজ চা। 

উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, স্ট্রোক, ডায়াবেটিস, স্থূলতা ও ক্যানসার-জাতীয় প্রাণঘাতী রোগ থেকে বাঁচতে হলে বিয়েশাদি এবং অন্যান্য সামাজিক ও পারিবারিক অনুষ্ঠানে ঘি, বাটার, ডালডা, চর্বি বা প্রচুর তেলসমৃদ্ধ পোলাও, রোস্ট, বিরিয়ানি, খাসি ও গরুর গোশত খাওয়া কমাতে হবে। জাংক ফুড খাবেন না। এসব খাবারে পুষ্টি কম, চর্বি বেশি। এ ছাড়া এসব খাবারে রয়েছে প্রচুর লবণ, চিনি, মনোসোডিয়াম গ্ল“টামেট ও টাট্রাজিন-জাতীয় বিতর্কিত খাদ্যোপকরণ। 

ম্যাকডোনাল্ড, বার্গার কিং, কেন্টাকি ফ্রায়েড চিকেন, পিৎজা, হ্যামবার্গার, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই জাংক ফুডের কিছু উদাহরণ।

জাংক ফুডে প্রচুর চিনি ও চর্বি থাকে বলে এমন খাবার খেলে ওজন বেড়ে যাওয়াসহ উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, স্ট্রোক, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, ক্যানসারের মতো বহু জটিল রোগের উৎপত্তি হয়।

কোমল পানীয় ও এনার্জি ড্রিংক ছেড়ে দিন। চা, কফি, মিষ্টি পরিমিত। মদ ও মাদক হারাম করুন।

ধূমপান ছাড়ুন। সুস্থ জীবনের জন্য ব্যায়ামের বিকল্প নেই। প্রতিদিন দুই মাইল বা তিন কিলোমিটার হাঁটার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এতে সারা দিনের শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি, অবসাদ ও দুশ্চিন্তা দূর হবে। ব্যায়াম করলে রাতের ঘুম ভালো হয়। সূর্যালোক শরীরে ভিটামিন-ডি তৈরি করে।

ভিটামিন-ডি’র ঘাটতি হলে শরীরের ক্যালসিয়াম বিশোষণে বিঘ্ন ঘটে। ক্যালসিয়াম শরীরের জন্য খুব প্রয়োজনীয় একটি উপকরণ। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট সূর্যস্নান করা দরকার। 

ড. মুনীরউদ্দিন আহমদ
অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এবং সাবেক অধ্যাপক ও ডিন, ক্লিনিক্যাল ফার্মেসি অ্যান্ড ফার্মাকোলজি ডিপার্টমেন্ট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
এ বিষয়ের আরও নিবন্ধ

ক্রমহ্রাসমান মানব Y (ওয়াই)-ক্রোমোজোম নিয়ে নানা উদ্বেগ ও জেন্ডার সমতায় দৃষ্টিপাত

যে প্রক্রিয়াটির মাধ্যমে নর ও নারী তাদের স্বতন্ত্র শারীরবৃত্তীয়তা অর্জন করে, তার মুলে রয়েছে নারী-পুরুষের সেক্স ক্রোমোজোমের ভিন্নতা। মানুষের ২৩ জোড়া ক্রোমোজোমের...

মেটফরমিন ও ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণে তার গুণাঢ্য ফার্মাকোলজি

বিশ্বব্যাপী নভেম্বর মাসকে বেছে নেওয়া হয়েছে বেশ কয়েকটি  গুরুত্বপূর্ণ রোগের জনসচেতনতা মাস হিসেবে, যেমন: ফুসফুসের ক্যান্সার, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (COPD), ডায়াবিটিস...

অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ্যতা মানব স্বাস্থ্যের জন্য একটি বড়ো হুমকি

বিশ্বখ্যাত সায়েন্টিফিক জার্নাল দ্য ল্যানসেট-এর তথ্য মতে ২০১৯ সালেই অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী ব্যাক্টেরিয়ার কারণে পৃথিবীব্যাপী প্রায় ১৩ লক্ষ মানুষ মারা গেছে (The Lancet,...

অ্যান্টিকোলেস্টেরল ওষুধের ঢালাও ব্যবহার বিপজ্জনক হতে পারে

কোলেস্টেরল সম্পর্কে ভুল ধারণা শীর্ষক আমার একটি প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল কিছু দিন আগে; এ ধারাবাহিকতায় আমি আজ অ্যান্টিকোলেস্টেরল ওষুধের ঢালাও ব্যবহার কেন...
আরও পড়তে পারেন

টপ্পা গান কী, টপ্পা গানের উৎপত্তি, বাংলায় টপ্পা গান ও এর বিশেষত্ব

টপ্পা গান এক ধরনের লোকিক গান বা লোকগীতি যা ভারত ও বাংলাদেশের বাংলা ভাষাভাষী মানুষের কাছে খুবই প্রিয়। এই টপ্পা গান বলতে...

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বলতে কী বোঝায় এবং ভারতীয় উপমহাদেশে রাজনীতি বা রাষ্ট্রচিন্তা

রাষ্ট্রবিজ্ঞান (Political Science) সমাজবিজ্ঞানের একটি শাখাবিশেষ যেখানে পরিচালন প্রক্রিয়া, রাষ্ট্র, সরকার এবং রাজনীতি সম্পর্কীয় বিষয়াবলী নিয়ে আলোকপাত করা হয়।  এরিস্টটল রাষ্ট্রবিজ্ঞানকে রাষ্ট্র...

গণতন্ত্রের সংজ্ঞা কী বা গণতন্ত্র বলতে কী বোঝায়

গণতন্ত্র বলতে কোনো জাতিরাষ্ট্রের অথবা কোনো সংগঠনের এমন একটি শাসনব্যবস্থাকে বা পরিচালনাব্যবস্থাকে বোঝায় যেখানে নীতিনির্ধারণ বা সরকারি প্রতিনিধি নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রত্যেক নাগরিক...

সমাজতন্ত্র কী? সমাজতন্ত্রের উৎপত্তি, ইতিহাস, বৈশিষ্ট্য, সুবিধা, অসুবিধা ও অর্থনীতি

সোভিয়েত ইউনিয়নে সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র কায়েম করা হয়েছিল ১৯১৭ সালে। সমাজতন্ত্রে বৈরি শ্রেণি নেই, কেননা কলকারখানা, ভূমি, সবই সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সম্পত্তি। সমাজতন্ত্রে শ্রেণি...

জীবনী: সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী

সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী ছিলেন একজন বাঙালি লেখক ও কবি। তিনি উনিশ ও বিশ শতকে বাঙালি মুসলিম পুনর্জাগরণের প্রবক্তাদের একজন। সিরাজী মুসলিমদের...

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here