সোমবার, জুলাই ৪, ২০২২

কৈশোরে বা বয়ঃসন্ধিকালে আবেগিক বিকাশ

বয়ঃসন্ধিকাল সমগ্র জীবন থেকে কোনো বিচ্ছিন্ন অংশ নয়; এই সময়ের আবেগিক বিকাশকে খুব গুরুত্বের সাথে দেখা হয়।

কৈশোর বা বয়ঃসন্ধিকাল হলো মানব জীবনের এমন একটি সময় যখন ব্যক্তির শারীরিকভাবে পূর্ণতা আসে। এই সময়ে ছেলেমেয়েদের মনে ও দেহে এক রকম আন্দোলনের সৃষ্টি হয়। কৈশোরে বা বয়ঃসন্ধিকালে আবগিক বিকাশ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এখান কৈশোরের বা বয়ঃসন্ধিকালের আবেগিক বিকাশ সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।

আবেগিক বিকাশ 

জীবনের যে-কোনো স্তরে আবেগিক বিকাশের পেছনে তিনটি কারণ বর্তমান। সে গুলো হলো-

  • চাহিদার তৃপ্তি
  • চাহিদার অতৃপ্তি
  • নিরাপত্তার অভাব 

শৈশব থেকেই এই তিনটি কারণে ব্যক্তির মধ্যে আবেগের বিকাশ ও প্রকাশ হতে দেখা যায়। বিভিন্ন মৌলিক ও মিশ্র জটিল আবেগের বিকাশ বয়ঃবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে হতে থাকে। বয়ঃসন্ধিকালে রাগ, ভয়, দুশ্চিন্তা, স্নেহ, ভালোবাসা, ঘৃনা, ঈর্ষা ইত্যাদি আবেগ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে আত্নপ্রকাশ করে। এ সময়ে এসব আবেগের প্রকাশে তীব্রতা দেখা যায়। 

আবেগমূলক বৈশিষ্ট্যর দিক থেকে এ বয়সের ছেলেমেয়েরা অন্য স্তরের ছেলেমেয়েদের চেয়ে অনেক বেশি পার্থক্য দেখায়। এ বয়সে সবরকম আবেগের বিকাশ হয়। আবেগিক আচরনের প্রকাশ কোনো সময় খুব বেশি হয়। আবার কোনো সময় একদম থাকে না। যেমন, কোনো সময় আনন্দ খুব তীব্র ভাবে প্রকাশ করে। আবার এমন বিমর্ষ হয় যে সে যে-কোনো সময়ে আনন্দিত হয়েছিল তা কল্পনা করা যায় না। 

বন্ধুত্ব 

অন্তক্ষরা গ্রন্থির সক্রিয়তা ও যৌন অঙ্গের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে অনেকের মধ্যে একটা মানসিক চাঞ্চল্য বা মানসিক স্থৈর্যের অভাব দেখা যায়। প্রধান প্রধান আবেগ গুলি তীব্রতর হয়ে উঠে। বিশেষ করে যৌন চেতনা ও স্নেহপ্রীতি ও ভালোবাসার আকাংক্ষা উগ্রভাবে দেখা দেয়। বিদ্যালয়ে ও বাইরে সে বন্ধুত্বের জন্য অস্থির হয়ে উঠে। এ সময়ে ভালোবাসার বিকাশের কয়েকটি পর্যায় লক্ষ্য করা যায়। 

প্রথমত একই লিঙ্গের ব্যক্তির প্রতি আকর্ষন দেখা যায়। ছেলেরা ছেলে বন্ধু পছন্দ করে ও মেয়েরা মেয়ে বন্ধু । বিশেষ একজনকে নয়, তারা দলকেই বেশি ভালোবাসে। কৈশোরের বন্ধুত্ব অনেক গভীর ও স্থায়ী হতে দেখা যায়। কারণ বন্ধুর কাছে মনের কথা বলার মধ্যে আছে নিজের মানসিক উদ্বেগ, অস্বস্তি ও সংঘাতের হাত হতে অব্যহতি। দ্বিতীয় পর্যায়ে বিপরীত লিঙ্গের প্রতি উৎসাহ ও আকর্ষন দেখা যায়। মেয়েদের সম্বন্ধে ছেলেরা ও ছেলেদের সম্বন্ধে মেয়েরা সচেতন হয়ে উঠে ও আলোচনা করে। পরে তা প্রেম ও ভালোবাসায় পূর্ণভাবে প্রকাশিত হয়। এ আকাংক্ষা ম্পষ্ট ভাবেই দেহধর্মী ও যৌনকেন্দ্রিক।

রাগ 

বয়ঃসন্ধিকাল সমগ্র জীবন থেকে একটি বিচ্ছিন্ন অংশ নয়। রাগ কৈশোরের নতুন কোনো আবেগ নয়। শিশু অবস্থা থেকেই রাগের প্রকাশ। তবে বয়ঃসন্ধিকালে রাগের কারণে পার্থক্য পাওয়া যায়। গবেষণায় দেখা গেছে এরা বিশেষ ব্যক্তিদের অপছন্দ করে, তাদের উপর রাগ হয়। এর মূলে অপমান, অবিচার,অকৃতকার্যতা ইত্যাদি থাকতে পারে। বিরোধীতার ভাব থেকেও রাগ সৃষ্টি হয়। 

ভয় 

ভয়ও শৈশব থেকেই জীবনে আসে। কিন্তু বয়ঃসন্ধিকালের ভয়ে সংশয় মেশানো থাকে। এই সংশয় বা ভয় আচরণের অসামঞ্জ্যতার জন্য হতে পারে। আবার দ্রুত শারীরিক পরিবর্তন ও যৌন চাহিদার চাপেও হতে পারে। সংশয়ের সঙ্গে আবার অপরাধী মনোভাবও দেখা যায়। লজ্জাভাব, অপরাধবোধ, ভয় ইত্যাদি আবেগ যৌন আচরণের প্রেক্ষিতে নতুন রূপ নেয় ও প্রকট সমস্যা হিসাবে দেখা যায়। হীনমন্যতার অনুভূতি, কোনো সময়ে আক্রমাণাÍক বা কোনো সময়ে মনমরা ভাব ইত্যাদি লক্ষ্য করা যায় বয়ঃসন্ধিকালে। 

আশংকা ও অর্ন্তদ্বন্দ্ব 

কৈশোরে বা বয়ঃসন্ধিকালে আশংকা ও অন্তর্দ্বন্দ্বমূলক কিছু বৈশিষ্ট্যও দেখা যায়, বিশেষ করে এ বয়সের ছেলেমেয়ের মধ্যে আশংকা এবং অর্ন্তদ্বন্ধের প্রকাশ খুব বেশি। এই আবেগিক সংঘাতের জন্য সে নিজে যেমন দায়ী তেমনি দায়ী বয়স্করাও। কিশোরদের নিজেদের মর্যাদা সম্পর্কে অনিশ্চয়তা এই ধরনের আবেগিক দ্বন্দ্বসৃষ্টি করে। বয়স্করা কোনো সময় তাদের ছেলেমানুষ হিসাবে বিবেচনা করেন, আবার কোনো সময় পূর্ণবয়ষ্ক ব্যক্তি হিসাবে বিবেচনা করেন। তারা কখনও তাকে নিতান্ত বালক বলে জ্ঞান করেন এবং জ্যাঠামীর জন্য তিরষ্কার করেন আবার কখনও তার কাছ থেকে বড়োদের আচরণ প্রত্যাশা করেন। ফলে তার অবস্থান সম্পর্কে তার মনে অনিশ্চতা জাগে। সে মনে করে চারপাশের জগৎ তার বিরুদ্ধভাবাপন্ন।এর ফলে তার মধ্যে আশংকা ও অর্ন্তদ্বন্ধ দেখা দেয়। 

বিমূর্ত ধারণা কেন্দ্রিক আচরণ 

কিশোর বয়সে আত্মসচেতনতার জন্য গর্ববোধও দেখা যায়। নিজের সম্পত্তি এবং বৈশিষ্ঠ্য জাহির করার চেষ্টা করে। বিমূর্ত চিন্তন ক্ষমতা হয় বলে ছেলেমেয়েদের মধ্যে বিমূর্ত ধারনাকে কেন্দ্র করে আবেগিক আচরণ হয়। বিমূর্ত ধারণাকে কেন্দ্র করে সেন্টিমেন্ট গড়ে উঠে। নৈতিক সেন্টিমেন্টের বিকাশও এই স্তরে হয়।

অন্তক্ষরা গ্রন্থির সক্রিয়তা ও যৌন অঙ্গের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে অনেকের মধ্যে একটা মানসিক চাঞ্চল্য বা মানসিক স্থৈর্যের অভাব দেখা যায়।

অন্তর্মুখীতা ও আত্নকেন্দ্রিকতা 

দেহের আকস্মিক পরিবর্তন, যৌন পরিণতি মানসিক ক্ষমতার পূর্নতা লাভ এ সব মিলে কৈশোরে একটা ছোটো খাটো বিপ্লব ঘটে যায়। শৈশব ও বাল্যের সুপ্রতিষ্টিত আবেগের সংগঠনটি ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যায়। নিজের বহুমুখী পরিপূর্ণতার উপলব্ধি তাকে বিপুল আনন্দ দেয়। আবার তার সামর্থ ও প্রয়োজনের প্রতি সমাজের উদাসীনতা ও অবহেলা তার মনে ক্ষোভের সৃষ্টি করে। ফলে অধিকাংশ কিশোর কিশোরীরা অন্তমুখী (Introvent) বা আত্ন কেন্দ্রিক (self-centered) হয়ে উঠে। মনে বিক্ষোভের ভাব জাগে। তারা মনে করে সুবিচার পাচ্ছে না, অন্যায় ভাবে নিপীড়ন করা হচ্ছে। অনমনীয়তা, সংকীর্ণতা, স্বার্থপরতা ইত্যাদি চারিত্রিক 

বৈশিষ্ট্য দেখা যায়। 

আদর্শ গঠন 

এটি হচ্ছে আদর্শ গঠনের সময়। এখন তারা ভালো মন্দ, ন্যায়-অন্যায়,পাপ-পূণ্য, সুনীতি-দুর্নীতি, ধর্ম ইত্যাদি নিয়ে চিন্তা করে এবং সঠিক উত্তর পাওয়ার চেষ্টায় বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে। 

দুশ্চিন্তা 

দুশ্চিন্তা এই স্তরের ছেলেমেয়েদের একটি বৈশিষ্ট্য। তাদের ইচ্ছা আকা ক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধ ও আদর্শের সংঘাত, দ্বন্ধ দেখা দেয়। দুয়ের মধ্যে সংগতি সাধন করতে পারে না। সৃষ্টি হয় দুশ্চিন্তা। দেখা দেয় অর্ন্তদ্বন্দ। 

প্রতিক্রিয়ার তীব্রতা বয়ঃসন্ধিকালে অন্যন্য গ্রন্থির মত এড্রিনাল গ্রন্থি অত্যন্ত সক্রিয় হয়ে উঠে। ফলে এ বয়সের ছেলেমেয়েদের রাগ ভালোবাসা স্নেহ সব আবেগই অত্যন্ত তীব্র হয়। পিতামাতা বা অন্যান্যদের বকুনী বা কটাক্ষ তার তীব্রভাবে গ্রহণ করে। কখনও অভিমান করে ২/৩ দিন না খেয়ে থাকে। কখনও, বাড়ী ছেড়ে পালায়, এমন কি আত্নহত্যার চেষ্টাও করে। 

যৌন আবেগ 

কিশোর বয়সে জটিল আবেগজনিত সমস্যা হল যৌন সমস্যা। কৈশোরের শেষ পর্যায়ে পূর্ণ যৌন বিকাশ ঘটে। স্বাভাবিক জৈব কারণে তাদের মধ্যে যৌন স্পৃহা, প্রেমানুভুতি, যৌন আগ্রহ ইত্যাদি সৃষ্টি হয়। মোটামুটি ভাবে ২০ বছর নাগাদ ছেলেদের যৌন তাড়না চরমে উঠে এবং মেয়েদের ২০ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে। অবশ্য যৌন আবেগের ক্ষেত্রে ব্যক্তিতে ব্যক্তিতে যথেষ্ট পার্থক্য রয়েছে এবং জাতি ও সংস্কৃতির উপরও এই ভিন্নতা যথেষ্ট নির্ভরশীল। 

আবেগের অবদমন 

বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রভাবের ফলে আবেগ অনুভুতি সহজ প্রকাশ পথ পায় না। অনুভুতি প্রকাশে বড়োরা ক্ষুব্ধ হবেন, সামাজিক অনুশাসনের ভীতি সব মিলিয়ে এরা আবেগ চেপে রাখে। মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য এই অবদমন খুবই ক্ষতিকর। আবেগিক শক্তি যদি অনুকূল পথে প্রকাশের পথ পায়, তবেই আবেগিক জীবন সমৃদ্ধ হবে। আর যদি অবদমনের পথে এগিয়ে যায় তবে মানসিক স্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এই পর্যায়ে স্নেহ-ভালোবাসার খুবই প্রয়োজন। গবেষণায় দেখা গেছে ভালোবাসায় বঞ্চিত ছেলে মেয়েরা বয়সকালে মানবিক ও আবেগিক প্রকাশে খুব পিছিয়ে থাকে।

আনন্দ 

বয়ঃসন্ধিকালে আনন্দ পাওয়া যায় উৎসব ও পর্ব উদযাপন করার মাধ্যমে, বেতার টিভি ইত্যাদি প্রচার মাধ্যমের সাহায্যে, বন্ধুত্ব, গান, খেলাধুলা ও উপহার আদান প্রদানের মাধ্যম। বিভিন্ন ধরনের সংগঠন প্রতিষ্টার মাধ্যমে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ক্রিয়া কান্ডের সাহায্যে এবং এই ধরনের আরও অনেক অভিজ্ঞতা থেকে।

বয়ঃসন্ধিকালে যে সব আবেগিক প্রকাশ দেখা যায় সেগুলোর সূত্রপাত শৈশব হতেই। বয়ঃসন্ধিকালে এড্রিনাল গ্রন্থি খুব সক্রিয় হয়ে উঠে বলে বিভিন্ন আবেগের বিকাশে তীব্রতা দেখা যায়। কৈশোরের প্রথম দিকে একই লিঙ্গের এবং কৈশোরের শেষ পর্যায়ে বিপরীত লিঙ্গের ছেলে মেয়েদের মধ্যে বন্ধুত্ব হয়ে থাকে। বিরোধীভাব, অপমান, অবিচারকে কেন্দ্র করে রাগ তীব্র হয়। যৌন চাহিদার চাপ, সংশয়,অপরাধবোধ সব কিছু থেকে ভয়ের আবেগ সৃষ্টি হয়। এ ভয়ের ধরন শৈশব ও বাল্য থেকে সম্পর্ণ আলাাদা। সে ছোটো বা বড়ো 

এই অনিশ্চয়তাবোধ থেকে অর্ত্নদ্বন্ধের সৃষ্টি হয়। ইচ্ছা আকাংক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধ ও আদর্শের সংঘাত থেকেও এই দ্বন্ধ হয়। সমাজ ও পরিবেশের প্রবাবে আবেগের স্বাভাবিক বিকাশ না হয়ে অনেক ক্ষেত্রে আবেগ অবদমিত হয়। অনেক ছেলেমেয়ে অর্ন্তমূখী ও আত্ন কেন্দ্রিক হয়ে উঠে। প্রথম কৈশোরে আবেগিক আচরণে অসমতা দেখা যায়। হীনমন্যতা, লজ্জা,ভয় ইত্যাদি আবেগ যৌন চেতনাকে কেন্দ্র করে প্রবল আকার ধারন করে। শেষ কৈশোরে আশংকা অর্ন্তদ্বন্ধের প্রাবল্য দেখা যায়। নৈতিক সেন্টিমেন্ট গড়ে উঠে। আবেগ নিয়ন্ত্রনের চেষ্টা দেখা যায়।

সারাংশ

বয়ঃসন্ধিকালে যে সব আবেগিক প্রকাশ দেখা যায় সেগুলোর সূত্রপাত শৈশব হতেই। বয়ঃসন্ধিকালে এড্রিনাল গ্রন্থি খুব সক্রিয় হয়ে উঠে বলে বিভিন্ন আবেগের বিকাশে তীব্রতা দেখা যায়। কৈশোরের প্রথম দিকে একই লিঙ্গের এবং কৈশোরের শেষ পর্যায়ে বিপরীত লিঙ্গের ছেলে মেয়েদের মধ্যে বন্ধুত্ব হয়ে থাকে। বিরোধীভাব, অপমান, অবিচারকে কেন্দ্র করে রাগ তীব্র হয়। যৌন চাহিদার চাপ, সংশয়,অপরাধবোধ সব কিছু থেকে ভয়ের আবেগ সৃষ্টি হয়। এ ভয়ের ধরন শৈশব ও বাল্য থেকে সম্পর্ণ আলাাদা। সে ছোটো বা বড়ো এই অনিশ্চয়তাবোধ থেকে অর্ত্নদ্বন্ধের সৃষ্টি হয়। ইচ্ছা আকাংক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধ ও আদর্শের সংঘাত থেকেও এই দ্বন্ধ হয়। সমাজ ও পরিবেশের প্রবাবে আবেগের স্বাভাবিক বিকাশ না হয়ে অনেক ক্ষেত্রে আবেগ অবদমিত হয়। অনেক ছেলেমেয়ে অর্ন্তমূখী ও আত্ন কেন্দ্রিক হয়ে উঠে। প্রথম কৈশোরে আবেগিক আচরণে অসমতা দেখা যায়। হীনমন্যতা, লজ্জা,ভয় ইত্যাদি আবেগ যৌন চেতনাকে কেন্দ্র করে প্রবল আকার ধারন করে। শেষ কৈশোরে আশংকা অর্ন্তদ্বন্ধের প্রাবল্য দেখা যায়। নৈতিক সেন্টিমেন্ট গড়ে উঠে। আবেগ নিয়ন্ত্রনের চেষ্টা দেখা যায়।

হক, মু. না., হোসেন, দি., আক্তার, শা. (১৯৯৭). শিশু ও শিক্ষা মনোবিজ্ঞান. বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়.

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন
এখানে আপনার নাম লিখুন

এই বিভাগের অন্যান্য নিবন্ধ

সমাজমাধ্যম

সবচেয়ে জনপ্রিয়
সবচেয়ে জনপ্রিয়

গবেষণা: গবেষণার সংজ্ঞা, ধারণা ও প্রকারভেদ

গবেষণা হলো কোনো কিছু সম্পর্কে জানার জন্য নিয়মতান্ত্রিক ও ধারাবাহিকভাবে অনুসন্ধান প্রক্রিয়া এবং একটি গবেষণা শুধু একটি প্রকারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে দুই বা ততোধিক প্রকারের হতে পারে

শিক্ষা কী? শিক্ষার সংজ্ঞা, ধারণা এবং লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

শিক্ষা নিয়ে যারা কথা বলেছেন তাঁরা প্রত্যেকেই নিজের মতো করে ভেবে নিয়েছেন শিক্ষাকে, নিজের মতো করে সংজ্ঞা দিয়েছেন। শিক্ষাবীদ কিংবা মনিষী, যার সংজ্ঞাই দেখা হোক না কেন, খুব একটা সন্তুষ্ট হওয়া যায় না। তাই বলে যাদের হাত ধরে শিক্ষা ও শিক্ষাব্যবস্থা আজ পর্যন্ত এসেছে তাঁদের মতো শিক্ষাবিদ বা মনিষীদের বলে যাওয়া বা লিখে যাওয়া কথাগুলোকে এড়িয়ে চলাও সম্ভব নয়।

মূল্যবোধ কাকে বলে এবং মূল্যবোধের উৎস ও প্রকারভেদ কী?

মূল্যবোধ শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ হচ্ছে Value এটি গঠিত হয়েছে...

শিক্ষা: অভীক্ষার সংজ্ঞা এবং বৈশিষ্ট্য

শিক্ষাক্ষেত্রে অভীক্ষা খুবই পরিচিত একটি পদ। যারা শিক্ষাবিজ্ঞান পড়েছেন...

নেতা ও নেতৃত্ব কাকে বলে? একজন আদর্শ নেতার গুণাবলি কী?

নেতৃত্বের মূল কাজ হলো আওতাভুক্ত ব্যক্তিবর্গকে প্রভাবিত করা, যাতে তারা নেতার নির্দেশ মেনে নেয় ও সে মোতাবেক কাজ করে। 

পরিবার কাকে বলে? পরিবারের সংজ্ঞা, ধারণা, প্রকারভেদ, কার্যাবলি ও গুরুত্ব কী?

আমরা জন্ম থেকেই পরিবারের সাথে পরিচিত। আমরা নিশ্চয়ই অবগত...

ব্যবস্থাপনা কী? ব্যবস্থাপনার সংজ্ঞা, পরিধি এবং গুরুত্ব সম্পর্কে আলোচনা

মানব সভ্যতার শুরু থেকেই ব্যবস্থাপনা বিভিন্ন মানব সংগঠনের সাথে...

ইতিহাস কাকে বলে? ইতিহাসের বিষয়বস্তু, উপাদান এবং ইতিহাস পাঠের প্রয়োজনীয়তা কী?

ইতিহাস পাঠ করার আগে আমাদের প্রত্যেকেরই জানা প্রয়োজন ইতিহাস কী, ইতিহাসের প্রকৃতি কীরূপ; আবার পাঠ্য বিষয় হিসেবে ইতিহাসের ভূমিকা কী। পাশাপাশি কোনো নির্দিষ্ট কালের এবং নির্দিষ্ট দেশের ইতিহাস জানার সাথে সমসাময়িক প্রাকৃতিক অবস্থা এবং পরিবেশ সম্পর্কেও ধারণা নেওয়া প্রয়োজন। এই নিবন্ধে ইতিহাসের সংজ্ঞা, বিষয়বস্তু, উপাদান এবং প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা হলো।

ব্যবস্থাপনা কী? ব্যবস্থাপনার নীতি বা মূলনীতি কয়টি ও কী কী?

ব্যবস্থাপনা কী? ব্যবস্থাপনা একটি বাংলা শব্দ যার ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো...

সুশাসন কী? সুশাসনের ধারণা, সংজ্ঞা ও উপাদান কী?

সুশাসন হলো এক ধরনের শাসন প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে ক্ষমতার...

পাঠ পরিকল্পনা: পাঠ পরিকল্পনার সংজ্ঞা এবং হার্বার্টের পঞ্চসোপান ও আধুনিক ত্রিসোপান

শিক্ষার্থীরা কী শিখবে, কীভাবে তা শেখানো হবে এবং কীভাবে শিখন মূল্যায়ন করা হবে সে সম্পর্কে শিক্ষকের দৈনন্দিন নির্দেশনা হলো পাঠ পরিকল্পনা