বুধবার, ডিসেম্বর ১, ২০২১

ব্যবস্থাপকীয় অর্থনীতি: ব্যবস্থাপকীয় অর্থনীতির সংজ্ঞা, বৈশিষ্ট্য এবং আওতা বা পরিধি

কোনো প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য বা উদ্দ্যেশ্যাবলী অর্জনের নিমিত্তে এর সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য যেসব ব্যবস্থাপকীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হয় সেগুলোর সাথে সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক তত্ত্বের পর্যালোচনা, বিশ্লেষণ ও প্রয়োগ সম্ভাব্যতা নির্ণয় সম্পর্কে যে শাস্ত্র আলোচনা করে তাকে ব্যবস্থাপকীয় অর্থনীতি বলে

যুগের প্রয়োজনে বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনাকে সফল করে তোলার স্বার্থে একজন ব্যবস্থাপককে অর্থনীতিতে মনোনিবেশ করতে হয়। তবে এক্ষেত্রে ব্যবস্থাপককে অর্থনীতিতে বিশেষজ্ঞ হবার প্রয়োজন নেই। বরং ব্যবস্থাপনীয় কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য ব্যবস্থাপনীয় চলকগুলো যেসব অর্থনৈতিক চলকের সাথে সম্পর্কযুক্ত হয় সেগুলোর প্রকৃতি, বিশেষ বিশেষ পরিস্থিতিতে সেগুলোর আচরণ, প্রতিক্রিয়া এবং সম্ভাব্য ক্ষেত্রে সেগুলোর প্রায়োগিক সম্ভাবনার বিষয়ে একজন ব্যবস্থাপকের অবগত থাকা প্রয়োজন। আর এ কারণে ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত অর্থনীতির পাঠের প্রয়োজন হয়। এ প্রয়োজন থেকেই সৃষ্টি ব্যবস্থাপকীয় অর্থনীতি শাস্ত্রটির। এ নিবন্ধে ব্যবস্থাপকীয় অর্থনীতি কী তা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ব্যবস্থাপকীয় অর্থনীতির সংজ্ঞা ছাড়াও এখানে ব্যবস্থাপকীয় অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য এবং আওয়তা বা পরিধি নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে।

ব্যবস্থাপকীয় অর্থনীতি: ব্যবস্থাপকীয় অর্থনীতির সংজ্ঞা, বৈশিষ্ট্য এবং আওতা বা পরিধি

ব্যবস্থাপকীয় অর্থনীতি কী?

ব্যবস্থাপনা এবং অর্থনীতি এ দুটি শব্দের সমন্বয়ে ব্যবস্থাপকীয় অর্থনীতি কথাটি গঠিত।

ব্যবস্থাপকীয় অর্থনীতি (Managerial Economics) সম্পর্কে ধারণা পেতে হলে প্রথমত ব্যবস্থাপনা এবং অর্থনীতি বলতে কী বোঝায়, তা জানা প্রয়োজন।

ব্যবস্থাপনা কাকে বলে?

হেনরি ফেয়ল (Henri Fayol) বলেছেন, ব্যবস্থাপনার কাজ হচ্ছে ‘অনুমান ও পরিকল্পনা গ্রহণ, সংগঠন, নির্দেশনা প্রদান, সমন্বয় সাধন এবং নিয়ন্ত্রণ’ 

বস্তুত ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম বলতে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনাকেই বোঝায়, ব্যক্তিগত পর্যায়ে নয়। কোনো প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপকগণ কর্তৃক প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যগুলো অর্জনের জন্য ভবিষ্যৎ কার্যক্রম সম্পর্কে অনুমান প্রণয়ন ও পরিকল্পনা গ্রহণ, কর্মী ও কার্যাবলিকে সংগঠিত করা, কর্মীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান, বিভিন্ন কার্যক্রমের মধ্যে সমন্বয় ঘটানো এবং সার্বিক কার্যাবলির ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপকে ব্যবস্থাপনা বলা হয়।

অর্থনীতি কাকে বলে?

অর্থনীতি বলতে এমন একটি শাস্ত্রকে বোঝায়, যা সীমিত সম্পদ ও আয় নিয়ে অসীম অভাব পূরণের নিমিত্তে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমের রূপরেখা নিয়ে আলোচনা করে।

পল স্যামুয়েলসন (Paul Anthony Samuelson) বলেছেন, ব্যক্তি ও সমাজ অর্থ বা অর্থ ছাড়া কেমন করে দুষ্প্রাপ্য উৎপাদনশীল সম্পদকে বিভিন্ন প্রকার দ্রব্য উৎপাদনের কাজে নিয়োগের জন্য নির্বাচন করে এবং কীভাবে সমাজ ও জনসাধারণের মধ্যে বর্তমান ও ভবিষ্যতের ভোগের নিমিত্তে উক্ত সম্পদ বণ্টিত হয়, তা নিয়ে অর্থনীতি আলোচনা করে।

ব্যবস্থাপকীয় অর্থনীতি কাকে বলে?

কোনো প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য বা উদ্দ্যেশ্যাবলী অর্জনের নিমিত্তে এর সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য যেসব ব্যবস্থাপকীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হয় সেগুলোর সাথে সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক তত্ত্বের পর্যালোচনা, বিশ্লেষণ ও প্রয়োগ সম্ভাব্যতা নির্ণয় সম্পর্কে যে শাস্ত্র আলোচনা করে তাকে ব্যবস্থাপকীয় অর্থনীতি বলে।

এভাবেও সংজ্ঞায়িত করা যায়: যে-সব পদ্ধতি অবলম্বন করে ব্যবসায়ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও আগাম পরিকল্পনা প্রণয়ন সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানের পথে এগিয়ে যাওয়া হয়, সে-সব পদ্ধতি এবং তৎসংযুক্ত কর্মকাঠামোকে বলা হয় ব্যবস্থাপকীয় অর্থনীতি।

বিভিন্ন অর্থনীতিবিদ বিভিন্নভাবে ব্যবস্থাপকীয় অর্থনীতির সংজ্ঞা দিয়েছেন-

হেগ বলেছেন, ‘ব্যবসায়ের সমস্যা সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় চিন্তা করার কার্যকরী রাস্তা নির্দেশ করে ব্যবস্থাপকীয় অর্থনীতি, যা অর্থনীতি গণিত এবং পরিসংখ্যানের যুক্তিসমূহ ব্যবহার করে’।

এম সি নেয়ার এবং মেরিয়ামের মতে, ‘ব্যবসায়িক পরিস্থিতি বিশ্লেষণের জন্য অর্থনৈতিক তত্ত্ব বা চিন্তাধারার ব্যবহারসংক্রান্ত কাজে ব্যবস্থাপকীয় অর্থনীতি ব্যপৃত’।

ম্যান্সফিল্ড-এর মতে, ‘খাটি বিশ্লেষণমূলক সমস্যাদি বা অর্থনৈতিক তত্ত্বের কৌতূহল থেকে সৃষ্ট এবং ব্যবস্থাপকদের আবশ্যকীয়ভাবে মুখোমুখি হতে হয় এমন নীতি-নির্ধারণী সমস্যা- এ দুয়ের মধ্যে একটি সেতু রচনার উদ্যোগ নেয় ব্যবস্থাপকীয় অর্থনীতি’।

জোয়েল ডিনের মতে, ‘ব্যবস্থাপকীয় অর্থনীতির উদ্দেশ্য হচ্ছে কীভাবে অর্থনৈতিক গবেষণা ব্যবসায়িক নীতি-নির্ধারণে ব্যবহৃত হয় তা দেখানো।

উপর্যুক্ত আলোচনা থেকে বোঝা যায় যে, ব্যবস্থাপকীয় অর্থনীতি বলতে এমন একটি শাস্ত্রকে বোঝায়, যা ব্যবসায় ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য অর্থনৈতিক তত্ত্বসমূহের প্রয়োগসমূহের আলোচনা করে থাকে।

ব্যবস্থাপকীয় অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য

ব্যবস্থাপকীয় অর্থনীতির কতগুলো বৈশিষ্ট্য নিম্নে আলোচনা করা হলো:

১. ব্যষ্টিক অর্থনৈতিক আলোচনা

ব্যবস্থাপকীয় অর্থনীতি মূলত ব্যষ্টিক অর্থনৈতিক তত্ত্ব ও নীতিমালা নিয়ে আলোচনা করে। কারণ এই অর্থনীতির বিশ্লেষণের একক হলো প্রতিষ্ঠান। সামগ্রিক অর্থনৈতিক সমস্যা বিশ্লেষণের জন্য ব্যবস্থাপকীয় অর্থনীতি ব্যবহৃত হয় না।

২. প্রাতিষ্ঠানিক আলোচনা

ব্যবস্থাপকীয় অর্থনীতি সাধারণত কোনো ফার্ম বা প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পর্কযুক্ত বিভিন্ন তত্ত্ব নিয়ে আলোচনা করে। এছাড়া অর্থনৈতিক তত্ত্বসমূহের মধ্যে মুনাফা তত্ত্ব নিয়েও আলোচনা করে।

৩. প্রতিষ্ঠানের জটিলতা নিরসনসংক্রান্ত আলোচনা

ব্যবস্থাপকীয় অর্থনীতি অর্থনৈতিক তত্ত্বসমূহের প্রয়োগক্ষেত্রে যেসব অসম্পূর্ণতা ও জটিলতা রয়েছে, তা নিয়ে আলোচনা করে। অর্থাৎ ব্যবসায়িক সিদ্ধান্তসমূহ গ্রহণের জন্য অর্থনৈতিক তত্ত্বসমূহের প্রয়োগসংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে ব্যবস্থাপকীয় অর্থনীতি কাজ করে।

৪. আদর্শগত অর্থনৈতিক আলোচনা

সাধারণ অর্থনীতি শুধু অর্থনীতির বিভিন্ন চলকের মধ্যে সর্বজনীন সম্পর্ককে প্রকাশ করে কিন্তু উক্ত চলকগুলোর মধ্যে কোনো ধরনের সম্পর্ক কাম্য বা কীরূপ সম্পর্ক বিরাজ করলে প্রতিষ্ঠানের অধিক আর্থিক সুবিধা অর্জিত হবে, তা অর্থনীতির আলোচ্য বিষয় নয়। কিন্তু ব্যবস্থাপকীয় অর্থনীতিতে উক্ত অর্থনৈতিক তত্ত্ব এবং চলকগুলোর মধ্যে সম্পর্ক বিশ্লেষণ এবং বিশ্লেষণের মাধ্যমে কীভাবে উক্ত সম্পর্ক কাম্য অবস্থায় আনা যায় তা নিয়ে আলোচনা করে।

৫. সামষ্টিক অর্থনৈতিক আলোচনা

কোন প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিষয়টি অনেক সময় বিভিন্ন সামষ্টিক চলক যেমন মুদ্রাস্ফীতি, জাতীয় আয়ের প্রবৃদ্ধি, সরকারী রাজস্ব ও আর্থিক নীতি ইত্যাদি দ্বারা প্রভাবিত হয়। আর এসব যেহেতু সামষ্টিক অর্থনীতির আলোচ্য বিষয় সেহেতু ব্যবস্থাপকীয় অর্থনীতিতেও সামষ্টিক অর্থনৈতিক আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ।

ব্যবস্থাপকীয় অর্থনীতির আওতা ও পরিধি

ব্যবস্থাপকীয় অর্থনীতির কোনো সুনির্দিষ্ট আওতা বা সীমারেখা নির্দেশ করা অত্যন্ত কঠিন। সময়ের পরিবর্তনে ব্যবসায়িক কার্যক্রমের বৈশিষ্ট্য, প্রকৃতি, পরিধি ও জটিলতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ কারণে ব্যবস্থাপকীয় অর্থনীতির আলোচ্য বিষয় বা এর পরিধি স্থির নয়; পরিবর্তনশীল।

যে সকল বিষয় সাধারণভাবে ব্যবস্থাপকীয় অর্থনীতিতে আলোচিত হয়ে থাকে সেগুলো নিম্নে আলোচনা করা হলো:

১. চাহিদা বিশ্লেষণ ও চাহিদা অনুমান

দ্রব্যের চাহিদা সম্পর্কে ধারণা না থাকলে উৎপাদন, বিক্রয়, দাম নির্ধারণ, মুনাফা নির্ধারণ ইত্যাদি যে-কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেয়া কষ্ট হয়ে পড়ে। তাই ব্যবস্থাপকগণকে চাহিদা বিশ্লেষণ ও চাহিদা অনুমান করতে গিয়ে যেসব কৌশল ও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় তার সবই ব্যবস্থাপকীয় অর্থনীতির আলোচ্য বিষয়।

২. খরচ এবং উৎপাদন বিশ্লেষণ

পরিকল্পনা গ্রহণ, দ্রব্যের মূল্য নির্ধারণ, মুনাফার পরিমাণ নির্ধারণ, বিনিয়োগ সম্ভাব্যতা যাচাই ইত্যাদির জন্য খরচ বিশ্লেষণ করা একান্ত প্রয়োজন। খরচ বলতে অর্থনৈতিক খরচকেই বোঝায়, অর্থাৎ পরিবর্তনশীল এবং স্থায়ী খরচ বিশ্লেষণ করতে হয়।

অপরদিকে উৎপাদন বিশ্লেষণপূর্বক উৎপাদনের পরিমাণ, উৎপাদিত দ্রব্যের গুনগতমান, উৎপাদন কৌশল ইত্যাদি সম্পর্কে নানা তথ্য সংগ্রহ করা যায়, যা বিক্রয় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ এবং চাহিদা ও যোগানের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার ক্ষেত্রে সহায়ক হয়।

এভাবে খরচ এবং উৎপাদন বিশ্লেষনের জন্য যেসব পদ্ধতি অবলম্বন করা হয় তার সবই ব্যবস্থাপকীয় অর্থনীতির আলোচ্য বিষয়।

৩. দাম নির্ধারণসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত, নীতিমালা এবং প্রয়োগ

যে-কোনো প্রতিষ্ঠানের নিকটই দাম নির্ধারনের বিষয়টি সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। দ্রব্যের দাম যদি ক্রেতাদের নিকট গ্রহণযোগ্য করে তোলা যায় তাহলে প্রত্যাশিত হারে মুনাফা অর্জন সম্ভব হয়, বিক্রয় লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা যায় এবং সর্বোপরি প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ সিদ্ধান্তটি সফল ও সার্থক হয়। দ্রব্যের দামসংক্রান্ত যে-সব বিধি ও নীতিমালা সাধারণ অর্থনৈতিক আলোচনার অন্তর্ভূক্ত সেসবকে কাজে লাগিয়ে কীভাবে বাস্তব পরিস্থিতিতে কোন প্রতিষ্ঠানের দ্রব্যের দাম নির্ধারণ করা যায় তা ব্যবস্থাপকীয় অর্থনীতিতে আলোচিত হয়। এসব ব্যবস্থাপকীয় পরিধির খুবই গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

৪. মুনাফা ব্যবস্থাপনা

প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান লক্ষ্য হলো মুনাফা সর্বাধিককরণ। এর জন্য প্রতিটি বিনিয়োগ প্রকল্প থেকে সম্ভাব্য কী হারে আয় উপার্জিত হতে পারে, উক্ত হারে আয় উপার্জনের জন্য কী পরিমাণ উৎপাদন করতে হবে, অর্জিত লাভের কতটুকু পুনর্বিনিয়োগ করা হবে এবং কতটুকু আবণ্টিত হবে ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কে জ্ঞানার্জনের প্রয়োজন রয়েছে। এসংক্রান্ত কার্যক্রম তথা মুনাফা ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত কার্যক্রম ব্যবস্থাপকীয় অর্থনীতির আলোচ্য বিষয়।

৫. মূলধন ব্যবস্থাপনা

ব্যবস্থাপকীয় অর্থনীতির অন্যতম বিষয়বস্তু হলো মূলধন ব্যবস্থাপনা। মূলধন ব্যবস্থাপনা বলতে প্রয়োজনীয় মূলধনের পরিমাণ নির্ধারণ, ন্যূনতম খরচের মূলধনের উৎস বাছাই ও মূলধন সংগ্রহ, সংগৃহীত মূলধন সর্বাধিক লাভজনক প্রকল্পে বিনিয়োগ ইত্যাদিকে বোঝায়। এই প্রেক্ষিতে ব্যবস্থাপকীয় অর্থনীতিতে মূলধন কাঠামো অনুযায়ী মূলধন সংগ্রহ, সংগৃহীত মূলধন কীভাবে লাভজনক প্রকল্পে বিনিয়োগ করা যায়, অর্থাৎ বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত প্রণয়ন, বিনিয়োগ কার্যক্রমের ওপর নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি ব্যবস্থাপকীয় অর্থনীতিতে আলোচিত হয়ে থাকে।

আহমেদ মিন্টো
মিন্টো একজন ফ্রিল্যান্স লেখক এবং বিশ্লেষণ'র কন্ট্রিবিউটর।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন
এখানে আপনার নাম লিখুন

এই বিভাগের সাম্প্রতিক নিবন্ধ