বুধবার, ডিসেম্বর ১, ২০২১

বই রিভিউ: ধোঁয়াশা

স্টিমপাংক সায়েন্স ফিকশন জনরা বাংলাসাহিত্যে একদমই নতুন; জাকিউল অন্তুকে ধন্যবাদ এমন নতুন ধারা নিয়ে কাজ করার জন্য

‘ধোঁয়াশা’ হলো লেখক জাকিউল অন্তু রচিত একটি স্টিমপাংক সাই-ফাই জনরার (Steampunk Science Fiction) একটি অসাধারণ উপন্যাস। এটি ২০২১ সালের বইমেলায় (মার্চ, ২০২১) ঢাকার ভূমিপ্রকাশ থেকে প্রকাশিত হয়। ‘ধোঁয়াশা’ উপন্যাসটির এই সংস্করণের প্রচ্ছদ করেছেন অনিক সরকার।

‘ধোঁয়াশা’র কাহিনি সংক্ষেপ

ধোঁয়াশা— আগাগোড়া ধোঁয়ায় মোড়ানো একটা শহর। বাষ্পীয় ইঞ্জিনের বিচিত্র সব ব্যবহার দেখার জন্য এই শহরে আপনাদের আসতেই হবে।

এমন সাজানো-গোছানো শহর নিয়ন্ত্রণ করে একজন মেয়র। শহরবাসীর চোখের মণি তিনি। শহরের সবখানে যাওয়ার অনুমতি থাকলেও শহরের বাইরে যাবার অনুমতি দেন না মেয়র সায়মন।

কিন্তু তারুণ্য কি উটকো বাঁধা-নিষেধ মেনেছে কোনোদিন? তন্ময়দের চার সদস্যের অনুসন্ধানী দল “স্টিম ব্রিগেড ” তাদের জীবনের একমাত্র লক্ষ্য স্থির করে নিলো। শহরের রাস্তায় কুড়িয়ে পাওয়া ছেঁড়া একটা ম্যাপ ইন্ধন দিলো এক অদ্ভুত রহস্যভেদ করার। শহরের বাইরে আসলে কী আছে? খোঁজ নিতে গিয়ে জট খুলতে থাকলো একেক পর এক। বেরিয়ে এলো শহরের বুকে লুকিয়ে থাকা এক লোমহর্ষক অতীত!

প্রতিক্রিয়া

আগেই বলে নিই, আমি কোনো ভালো রিভিউয়ারও বা পর্যালোচক নই; বইটি পড়ে ব্যক্তিগতভাবে আমার কেমন লেগেছে সে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলাম মাত্র।

ধোঁয়াশা বইটির কাহিনি শুরু হয় বইয়ের মেইন প্রোটাগনিস্ট তন্ময়ের জ্ঞান ফিরে পাওয়ার মাধ্যমে। জ্ঞান ফিরে পেয়ে নিজেকে বেশ আহত অবস্থায় আবিষ্কার করে, এবং সাম্প্রতিককালে তার সাথে ঠিক কী ঘটেছিলো, সেই ব্যাপারে মোটামুটি ধোঁয়াশায় থাকে সে। এরপর আস্তে আস্তে স্মৃতি ফিরে আসতে শুরু করে এবং এক টেপরেকোর্ডারের মাধ্যমে তন্ময়ের পাশাপাশি পাঠকও চলে যায় এমন এক শহরে, যেটার সাথে আমাদের চেনাজানা শহরের কোনো মিল নেই। ধোঁয়াশা নামক সেই শহরটা চলে বাষ্পীয় আর ডিজেল ইঞ্জিনে। সেখানকার জীবনযাত্রার বিভিন্ন উপকরণও এই দুই শক্তি ভিত্তিক।

কাহিনি আরেকটু এগুতেই পরিচিত হই ‘স্টিম ব্রিগেড’ নামে একটা দলের সাথে যেই দলের লিডার স্বয়ং তন্ময়, আর তার সাথে আছে এক আর্টিস্ট এবং দক্ষ উদ্ভাবক অনিক; আছে প্রজ্ঞা-পারমিতা নামের দুই বোন। তন্ময় নামক এই তরুণের দলের একটা লক্ষ্য হলো ধোঁয়াশার বাইরে আসলে কী আছে সেটা জানা, আর এই পথে প্রতিবন্ধকতা হিসেবে আছে কিছু মানুষ।

এরপর পরিচিত হই ক্যাফে ফার-ইন নামক এক এয়ারশিপ ক্যাফে (ইনফ্লেটেবল বেলুনের সাথে আকাশে ভেসে বেড়াবার ক্ষমতাসম্পন্ন) এর দুই মালিক ফারিন-তাজিন ভাইবোনের সাথে। ধোঁয়াশা শহরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া নদী টারকুইজের পাশে এক ঘটনাবহুল দিনে অকস্মাৎভাবে স্টিম ব্রিগেডের সাথে জড়িয়ে চায় ফারিন-তাজিন; অথবা উল্টো করে বললে, ফারিন-তাজিনের সাথে জড়িয়ে যায় ওরা চারজন। ফারিন-তাজিনের মাধ্যমে ধোঁয়াশা শহরের উপর ঘনিয়ে আসা বিপদের কথা জানতে পারে স্টিম ব্রিগেড। জানতে পারে স্টিলোরিয়াম, ব্রাসমোনিয়াম, টারকুইজিয়াম নামক রহস্যময় তরলের কথা। জম্বিটিন নামক এক রোবোটিক ফুড ডেলিভারি দলের রহস্যের কথাও জানতে পারে কিছু কিছু। আর ধোঁয়াশার সাথে এগুলোর সম্পর্ক কী তা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ে।

এরপর ছয় তরুণ-তরুণীর দলটি একযোগে নেমে পড়ে আসন্ন বিপদের বিরুদ্ধে, এবং ধোঁয়াশার রহস্যের মূলোৎপাটনে। ঘটনার ঘনঘটায় এরপর কী হয় তা জানতে হলে পড়তে হবে এই চমৎকার উপন্যাসটি।

‘ধোঁয়াশা’ প্রসঙ্গে আমার কিছু কথা

ধোঁয়াসা উপন্যাসটি পড়ে এককথায় বেশ চমৎকৃত হয়েছি আমি। কেন হয়েছি, এক এক করে সেই পয়েন্টগুলো বলি।

প্রথমে কাহিনি যেখানে শুরু হয় সেখান থেকেই মোটামুটি ভালো লাগা শুরু, আর তার কারণ হলো, লেখকের শব্দপ্রয়োগ এবং বাক্যগঠনের দক্ষতা। লেখক প্রচুর ছোটো গল্প লিখেছেন জানি, আর এই দক্ষতা সেখান থেকেই এসেছে বোঝা গেছে। লেখকের মাথায় বইয়ের কাহিনি অক্ষর হিসেবে আসে না, আসে ছবি হিসেবে; যেন তার চোখের সামনেই সবকিছু ঘটছে, আর তার কাজ হচ্ছে সেটাকে এক দক্ষ ধারাবর্ণনাকারীর মতো পাঠকের সামনে উপস্থাপন করা। যে যত ভালোভাবে, এবং Picturesquely বর্ণনা করতে পারে, সে তত ভালো লেখক। কারণ, যত ভালো লেখা হবে, পাঠকের মানসপটে সেই লেখার চিত্রকল্প তত ভালোভাবে গঠিত হবে। এই ক্ষেত্রে আমার মনে হয়েছে, এই লেখক সফল। বেশ ডিটেইলড বর্ণনা ছিলো, যার ফলে আমার মাথায় যে চিত্রকল্প গঠিত হয়েছিলো, তা বেশ কনভিন্সিং এবং ইন্ট্রিগিং।

লেখকের বাক্যগঠন বেশ চমৎকার, এবং বর্ণনাতে দাড়ি (।) ব্যবহার করেছেন বেশি; মানে বেশিরভাগই ভালোমানের সরল বাক্য। তবে বেশ কিছু জায়গায় যদি তিনি কমা (,), সেমিকোলন (;), এবং এম ড্যাস (—) এর মাধ্যমে পাশাপাশি বাক্যগুলোকে জুড়ে দিতেন, তাহলে আরও ভালো হতো বলে আমার মনে হয়। কেননা, যখন লেখক কিছু বর্ণনা করেন তখন অনেকসময় একই জিনিসকে বর্ণনা করতে কয়েকটা বাক্য ব্যবহার করতে হয়। এখন, দাড়ি (।) আপনাকে মোটামুটি থামিয়ে দেয়ার জন্য ব্যবহার করা হয়। একই জিনিস বর্ণনায় বেশি দাড়ি ব্যবহার মানে, আপনাকে বারবার থামতে বলা। যদি দক্ষতার সাথে সেমিকোলনের মাধ্যমে একই ধরণের তথ্যকে একসাথে জুড়ে দেওয়া যায়, আবার কোনো বাক্যের সাথে সম্পর্কিত অন্য বাক্যকে এম ড্যাসের মাধ্যমে জুড়ে দেওয়া যায়, তাতে দাড়ির মতো বেশি সময়ের জন্য থামার প্রয়োজন হয়না; কিন্তু এমন একটা দীর্ঘ বাক্য গঠিত হয় যা বেশ সাবলীলভাবে পুরো ভাব প্রকাশ করতে পারে—এতে বর্ণনাটা আরও ভালো হয়ে ওঠে।

দ্বিতীয় যে ব্যাপারটা ভালো লেগেছে তা হলো বইটির ওয়ার্ল্ড বিল্ডিং! এক কথায়, ফাটাফাটি। বোঝা গেছে, লেখক খুব ভালোভাবেই জানতেন যে কী নিয়ে লিখছেন, কেন লিখছেন এবং কী লিখছেন। যন্ত্রপাতির খুঁটিনাটি বর্ণনা থেকে শুরু করে শহরের বিভিন্ন স্থানের বর্ণনা বেশ দক্ষতার সাথে লেখায় ফুটিয়ে তুলেছেন। শহরের ম্যাপ বইতে জুড়ে দেবার কারণে বইয়ের সেকেন্ডারি সেটিংসটা বুঝতে বেশ সুবিধা হয়েছে। মানুষ থেকে শুরু করে বিভিন্ন বস্তুর নামকরণে বেশ বুদ্ধির পরিচয় দিয়েছেন লেখক। তন্ময়ের বিড়াল ট্রফি এর নামটা যে হুট করে শেষে অমন একটা খেল দেখাবে তা বুঝতে পারিনি; বেশ মজা পেয়েছিলাম ওইসময়।

সংলাপে মাত্র অল্পকিছু জায়গায় বাৎসল্য থাকলেও বাকি সবজায়গায় বেশ ভালো লেগেছে। তন্ময় বেশি ফোকাস পেয়েছে, তাই তার সংলাপ বেশ ভালো ছিলো। ফারিন-তাজিনেরটাও ভালো ছিল। অল্প সময়ের মধ্যে জিবরান ও বেশ ভালো গুরুত্ব পেয়েছে।

এখানে সংলাপ নিয়ে আমার একটা পর্যবেক্ষণ রয়েছে ব্যাপারটা হলো, লেখক যখন সংলাপ গড়ে তখন আসলে সে সংলাপের মাধ্যমে কিন্তু একটা ছবিও গড়ে। এখন এই জায়গাটা ভালো থেকে আরও ভালো করার কিছু টেকনিক আছে। সংলাপ চলাকালে সেই দৃশ্যপটে দুইজনও থাকতে পারে, তিনজনও থাকতে পারে আবার বিশাল একটা দলও থাকতে পারে। টেকনিক ডিপেন্ড করে সংখ্যার উপর। যেমন, অনেক সময় দুইজন থাকলে একবার সংলাপ শুরু করে শুধু একটার পর একটা উদ্ধৃতি চিহ্ন দিয়ে সংলাপ বলে যাওয়া যায়, এতে বারবার ডায়লগ ট্যাগ ব্যবহার করার প্রয়োজন পড়ে না; মাঝে মাঝে ব্যবহার করলেই হয় [ডায়লগ ট্যাগ বলতে বোঝায়- বললো অমুক, তমুক বললো, এগুলো সংলাপ শেষে উদ্ধৃতি চিহ্নের সাথে জুড়ে দেওয়া]।

যখন দৃশ্যপটে দুইয়ের অধিক চরিত্র থাকে তখন কোন কথাটা কে বলছে তা বোঝানোর জন্য ডায়লগ ট্যাগ ব্যবহার অপরিহার্য একটা বিষয়, না হলে পাঠক কনফিউজ হয়ে যাবে যে, কোন কথাটা কে বলছে। এখন লেখার সময় বারবার ‘এ বললো, ও বললো, অমুক বললো, তমুক বললো’ এভাবে লিখলে লেখার ভিতর একটা একঘেয়েমি ব্যাপার চলে আসতে পারে। তাই এই অবস্থা পরিহার করার জন্য অ্যাকশন ট্যাগ ব্যবহার করতে হয়। উদাহরণ দিচ্ছি:

‘আমি এখন বেরুবো,’ বললো অমুক। [ডায়লগ ট্যাগ]

‘আমি এখন বেরুবো।’ কথাটা শেষে গটগট করে কক্ষ থেকে বেরিয়ে গেলো অমুক। [অ্যাকশন ট্যাগ। যখন সংলাপের সাথে চরিত্রটার ঠিক ওইসময়ে করা একটা কাজ সম্পৃক্ত থাকে। শ্রাগ করল, মাথা চুলকালো, ভ্রূ উঁচু করলো, নড করলো, মুখে চিন্তার ছায়া পড়লো……]

এই অ্যাকশন ট্যাগ আবার বিভিন্নভাবে ব্যবহার করা যায়। বাক্যের আগে জুড়ে দেওয়া যায়, পরে জোড়া যায়। সংলাপকে ভাগ করে মাঝে একশন ট্যাগ দিয়ে আবার সংলাপ দেয়া যায়; এতে বোঝানো যায় যে কথাটা বলার সময় চরিত্রটা কী করছিলো। এভাবে ডায়লগ ট্যাগ, অ্যাকশন ট্যাগ এর বিভিন্ন অনুপাতের মিশেলে দারুণভাবে চিত্ররূপ দৃশ্যপট গড়া যায়, যা খুব রিডার্স ফ্রেন্ডলি। লেখক এটা বেশ ভালোভাবেই করেছেন। হ্যাটস অফ!

তবে এখানে ছোটো একটা কথা না বললে নয়। সেটা হলো, দীর্ঘ সংলাপের ক্ষেত্রে আমি একটু কনফিউজ হয়ে গিয়েছিলাম, আর তা মূলত হয়েছি সংলাপের উদ্ধৃতি চিহ্ন ও প্যারা ব্যবহারের কিঞ্চিৎ সমস্যার কারণে। কারণটা বলি। সংলাপের সময় যতিচিহ্ন ব্যবহারের কিছু নিয়ম আছে, যা অনুসরণ করা রীতিমতো বাধ্যতামূলক। উদ্ধৃতি চিহ্নের সাথে যদি ডায়লগ ট্যাগ ব্যবহার করতে হয় এবং সেই সংলাপে যদি বিস্ময়সূচক চিহ্ন বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন না থাকে তবে উদ্ধৃতি চিহ্নের ভিতরে শেষ বাক্যের সাথে কমা ব্যবহার করে এরপর ডায়লগ ট্যাগ ব্যবহার করতে হয়; আর এ

অ্যাকশন ট্যাগের সময় ব্যবহার করতে হয় দাড়ি (উপরের উদাহরণ দ্রষ্টব্য)। লেখক যদি উদ্ধৃতি চিহ্ন একবার শুরু করে তবে তাকে সেটা শেষ করতে হবে। ইংলিশে যেটাকে কোট-আনকোট বলে; কোট করলে আনকোট করতে হবে। এখন দীর্ঘ সংলাপ মূলত গড়া হয় কোনো বর্ণনাকে কোনো চরিত্রের মাধ্যমে বলিয়ে নেবার জন্য, তাই এই বর্ণনার ভিতর অন্যের কথাও আসতে পারে, অন্যের উক্তিও আসতে পারে। এখন সংলাপ যেহেতু একজন বলছে, এবং একবারেই বলছে, তাই লেখক যদি পুরো সংলাপটার মাঝে কোনো আলাদা অ্যাকশন ট্যাগ ব্যবহার না করেন, বা সংলাপকে সাময়িক থামিয়ে অন্য কিছু না করেন, তাহলে সেটা মাত্র একটা উদ্ধৃতি চিহ্নের মধ্যেই পড়বে, তাতে সংলাপটা যত প্যারাতেই শেষ হোক না কেন! তাই সেই সংলাপের মধ্যে যদি অন্যের কোনো উক্তি সেই চরিত্র বলে তবে সেটাকে প্রত্যক্ষ উক্তিতে না রেখে পরোক্ষ উক্তি করে নিতে হবে, নইলে এক উদ্ধৃতি চিহ্নের মাঝেই অন্যের সংলাপ চলে আসে তার নিজস্ব উদ্ধৃতি চিহ্ন সহ; যা একটু বেমানান মনে হয়, আবার ক্ষেত্রবিশেষে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি করে। এইজন্য বড়ো সংলাপের ক্ষেত্রে মাঝে একটু বিরতি দিয়ে অল্প কিছু অ্যাকশন দেখিয়ে নেওয়া যেতে পারে, এতে পড়তে সুবিধা হয়, আবার দৃশ্যের ডিটেইলিং এর সুযোগও থাকে।

ধোঁয়াশা-তে এক সংলাপের ভিতরে অন্যের প্রত্যক্ষ সংলাপও একই উদ্ধৃতি চিহ্ন দিয়ে বলা হয়েছে, যা পড়ার গতিকে কিঞ্চিৎ ব্যাহত করেছে। ব্যাহত করেছে মানে, আমাকে করেছে; অন্যদেরও যে করবে ব্যাপারটা তা নয়। তবে এটা খুব মাইনর একটা সমস্যা। নো বিগ ডিল।

ধোয়াঁসা উপন্যাসের অ্যান্টাগনিস্ট আরেকটু রাফ হতে পারতো বলে আমার ব্যক্তিগত অভিমত। তবে বোঝা গেছে যে সিকুয়াল আসবে বইয়ের, তাই আমি আগ্রহের সাথে অপেক্ষা করছি যে লেখক আবার কোন নতুন চমক দেখায় তা জানার জন্য।

শেষ কথা

স্টিমপাংক জনরা বাংলাসাহিত্যে একদমই নতুন। জাকিউল অন্তুকে ধন্যবাদ এমন নতুন ধারা নিয়ে কাজ করার জন্য। বইটাতে চমৎকার কিছু ইলাস্ট্রেশন, যা কাহিনিটাকে বেশ নতুন মাত্রা দিয়েছে। আর্টিস্টকে ধন্যবাদ এতো চমৎকার কাজের জন্য।

জাকিউল অন্তু রচিত স্টিমপাংক সায়েন্স ফিকশন জনরার ‘ধোঁয়াশা’ পড়লে পাঠকের নিশ্চয়ই তাঁর ভালো লাগবে।

উপন্যাসের নামধোঁয়াশা
লেখকজাকিউল অন্তু
জনরাস্টিমপাংক সাই-ফাই/ফ্যান্টাসি
প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানভূমিপ্রকাশ
প্রচ্ছদঅনিক সরকার
প্রকাশকালমার্চ ২০২১ (অমর একুশে বইমেলা)
রিয়াজুল ইসলাম জুলিয়ান

জুলিয়ান খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করেছেন। লেখালেখির জগতে বিচরণ করতে পছন্দ করেন। ২০১৯ সালে তার প্রথম মৌলিক বই 'নিঃশব্দ শিকারি' প্রকাশিত হয়েছে। এখন কাজ করছেন দ্বিতীয় বই 'আশিয়ানী' নিয়ে।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন
এখানে আপনার নাম লিখুন

এই বিভাগের সাম্প্রতিক নিবন্ধ