বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২২

নেতা ও নেতৃত্ব কাকে বলে? একজন আদর্শ নেতার গুণাবলি কী?

নেতৃত্বের মূল কাজ হলো আওতাভুক্ত ব্যক্তিবর্গকে প্রভাবিত করা, যাতে তারা নেতার নির্দেশ মেনে নেয় ও সে মোতাবেক কাজ করে। 

পৃথিবীতে যত রকমের কঠিন কাজ আছে সেগুলোর মধ্যে নেতৃত্ব দেওয়াকে একটি গণ্য করা হয়। একজন নেতা তখনই সফল হিসেবে বিবেচিত হন যখন তিনি তাঁর অধীনস্থ লোকদের ওপর ইতিবাচক ও প্রত্যাশিত উপায়ে প্রভাব বিস্তার করে নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জন করতে সক্ষম হন। এই নিবন্ধে নেতা, নেতৃত্ব এবং একজ আদর্শ নেতার গুণাবলি প্রসঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে।

নেতা কাকে বলে?

যে ব্যক্তি একটি দল বা গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত সদস্যদের মধ্যে প্রভাব বিস্তার করে নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য দিক নির্দেশনা প্রদান করেন এবং প্রদান করা নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন রকম প্রচেষ্টা চালান তাকে নেতা বলে। নেতা শব্দের ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো লিডার (leader)।

নেতৃত্ব কী?

নেতৃত্ব হলো ব্যক্তির সেই সক্ষমতা যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জন করার জন্য দল, গোষ্ঠী বা সংগঠনের অন্তর্ভুক্ত সদস্যদের অনুপ্রেরণা ও দিক নির্দেশনা দিয়ে প্রভাবিত করা ও পরিচালিত করা সম্ভব হয়। নেতৃত্ব শব্দের ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো লিডারশিপ (leadership)।

নেতৃত্বের মূল কাজ হলো আওতাভুক্ত ব্যক্তিবর্গকে প্রভাবিত করা, যাতে তারা নেতার নির্দেশ মেনে নেয় ও সে মোতাবেক কাজ করে। 

নেতৃত্বের আরও কয়েকটি সংজ্ঞা

  • লক্ষ্য অর্জনের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আচরণ প্রভাবিত করার দক্ষতাকে বলা হয় নেতৃত্ব। 
  • নেতৃত্ব হলো এমন এক প্রক্রিয়া, যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি নির্দেশনা, পরামর্শ ও কৌশল দ্বারা অপরকে নিয়ন্ত্রণ কিংবা আচার আচরণ ও মনোভাবের উপর প্রভাব বিস্তার করে। 
  • নেতৃত্ব হচ্ছে নেতা কর্তৃক প্রভাব বিস্তারের একটি সামাজিক প্রক্রিয়া যাতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা লক্ষ্য অর্জনের জন্য স্বেচ্ছায় কাজে অংশগ্রহনে কাজ করে।
  • নেতৃত্ব হচ্ছে জনগনকে প্রভাবিত এমন একটি কলা-কৌশল যাতে যাতে তারা দলীয় লক্ষ্য অর্জনে স্বতস্ফুর্তভাবে উদ্বুদ্ধ হয়।
  • নেতৃত্ব হচ্ছে লক্ষ্য নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে নিয়োজিত একটি সংগঠিত দলের কার্যাবলীকে প্রভাবিত করার প্রক্রিয়া।
কোনো গোষ্ঠী বা প্রতিষ্ঠানের উন্নতির জন্য যোগ্য নেতৃত্ব বা লিডারশিও খুবই গুরুত্বপূর্ণ

একজন আদর্শ নেতার গুণাবলি বা বৈশিষ্ট্য

একজন নেতা তাঁর দল, সংগঠন, গোষ্ঠী বা প্রতিষ্ঠানের অপরাপর সদস্যগণের পথপ্রদর্শকরূপে চিহ্নিত। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে নেতাকে প্রশাসক বলা যায়। প্রতিষ্ঠান একজন নেতা হলেন প্রধান নির্বাহি কর্মকর্তা, যিনি উদ্দেশ্যাবলি ও পরিকল্পনা প্রণয়নকারী। বহুমুখী দায়িত্ব পালন করার জন্য একজন নেতাকে বিচিত্রগুণের অধিকারী হতে হয়। তবে নির্দিষ্ট করে এর একটি গুণের তালিকা প্রণয়ন করা সম্ভব নয়। কারণ স্থান-কাল-পাত্র ভেদে বা বিষয় বিশেষে নেতৃত্বের গুণাবলি ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে।

এখানে একজন নেতার ৩০ টি সাধারণ (আবশ্যক) গুনাবলি উল্লেখ করা হলো-

  1. সাহসীকতা: যিনি নেতা হবেন তাকে হতে হবে নির্ভীক। ভয়-ডরহীন ভাবে তিনি প্রত্যাশিত লক্ষ্যে যাবেন অধীনস্থদের নিয়ে।
  2. মোহনীয় ব্যক্তিত্ব: একজন সফল নেতাকে হতে হবে মোহনীয় ব্যক্তিত্বের অধিকারী। তিনি তার আচরনে সবাইকে মুগ্ধ করে প্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্যের দিকে পরিচালিত করবেন।
  3. সুদূরপ্রসারী কল্পনাশক্তি: একজন সফল নেতার সুদূরপ্রসারী কল্পনাশক্তির অধিকারী হতে হবে। তাকে পরিকল্পনা প্রনয়নে ও ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নির্বাচনের জন্য কল্পনাশক্তির আশ্রয় নিতে হবে। সুদূরপ্রসারী কল্পনাশক্তি যার মধ্যে নেই সে নেতা হলেও উত্তম নেতা হতে পারে না।
  4. সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা: লক্ষ্য অর্জনের জন্য পরিকল্পনামাফিক একজন নেতা বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকবেন, যা স্বাভাবিক। আর তাই নেতাকে অবশ্যই সিদ্ধান্ত গ্রহনের ক্ষমতা থাকতে হবে। জরুরি প্রয়োজনে বা যে-কোনো সঠিক ও দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার সক্ষমতা প্রদর্শন করে দল বা গোষ্ঠীকে এগিয়ে নিতে হয়।
  5. সার্বিক দায়-দায়িত্ব গ্রহণের মানসিকতা: একজন প্রসাসককে সকল অবস্থায় সকল দায়-দায়িত্ব গ্রহনের মানসিকতা থাকতে হবে। যে-কোনো মুহুর্তে যে-কোনো যৌক্তিক  ঝুঁকি গ্রহণ করার মানসিকতা একজন নেতার থাকা চাই। 
  6. শারীরিক সুস্থ্যতা: যিনি নেতা হবে তাকে শারীরিকভাবে সুস্থ্য থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। রুগ্ন ও দুর্বল হয়ে কখনো নেতার আসনে বসা যায় না। তবে বাস্তবক্ষেত্রে যদি এমন লক্ষ্য করা যায়, তা নামমাত্র নেতার উদাহরণ। 
  7. পরিবেশ ও সংগঠন সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা: নেতার অবশ্যই পরিবেশ ও সংগঠন সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা থাকতে হবে। নানা ধরনের উন্নয়নে তাকে পরিবেশ ও সংঠনের মধ্য দিয়েই কাজ করতে হয়।
  8. মানবচরিত্র অনুধাবনের ক্ষমতা: একজন নেতা, বিশেষ ক্ষেত্রে প্রশাসক, যেহেতু মানুষ নিয়ে কাজ করবেন সেহেতু তাকে মানুষের চরিত্র ও আচরণ সম্বন্ধে সুতীক্ষ্ণ দৃষ্টিভঙ্গিগত জ্ঞান থাকা বাঞ্ছনীয়।
  9. সাংগঠনিক জ্ঞান: একজন নেতার সাংগঠনিক জ্ঞানের অধিকারী হতে হবে। সাংগঠনিক ও প্রশাসনিক জ্ঞান তাকে নিজ ক্ষেত্রে দক্ষতার সাথে কাজ করতে সাহায্য করবে।
  10. যোগাযোগের দক্ষতা: সংগঠনের সকলের সাথে ও সংশ্লিষ্ট সমাজের সাথে উত্তম যোগাযোগ ব্যবস্থা একজন নেতাকে গড়ে তুলতে হয়। তিনি এমন যোগাযোগ কৌশল নির্ধারন করবেন যেন প্রতিষ্ঠানের সকলের সাথে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক সৃষ্টি হয়।
  11. আত্মনিয়ন্ত্রণ ও সংযমশীলতা: একজন নেতার অবশ্যই আত্মনিয়ন্ত্রণ দক্ষতা থাকতে হবে এবং সংযমী হতে হবে। আবেগ ও যথেচ্ছাচার সংগঠন বা প্রতিষ্ঠানের ধ্বংস ডেকে আনে।
  12. ন্যায়পরায়ণতা: নেতা হবেন ন্যায় পরায়ণ। তিনি অন্যায় ও অবিচারের প্রতি বশীভূত হবেন না।
  13. সহযোগিতামূলক মননশীলতা: সকলের সাথে সকল কাজে প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। অধস্তন কর্মচারী ও সমাজ সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সংগঠন বা প্রতিষ্ঠানের উন্নতি ঘটানো সম্ভব।
  14. বশীভুতকরণ ক্ষমতা:
  15. বিচার-বিবেচনার ক্ষমতা: প্রশাসক বা নেতাকে সব সময়ই বিচার বিবেচনা করে চলতে হয়। তার অজ্ঞতা ও অবিবেচনাপ্রসূত অনেক বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।
  16. বন্ধুপ্রতিমতা: নেতা হবেন সকলের প্রতি বন্ধু প্রতিম। তিনি সকলের বন্ধু ও দুর্দিনের সহায়ক হিসেবে থাকবেন।
  17. বিশ্লেষণমূলক ক্ষমতা: নেতার অবশ্যই বিশ্লেষণমূলক ক্ষমতা থাকতে হবে কারণ তাকে বিভিন্ন রকম সিদ্ধান্ত নিতে হয়।
  18. সাহস ও উদ্যম: সাহস ও উদ্যম নেতার যেকোন নেতার একটি মৌলিক গুণ হিসেবে স্বীকৃত। যে-কোনো বিপদে নেতা ভেঙ্গে না পড়ে সাহসের সাথে এগিয়ে যাবেন উদ্যমি মনোভাব নিয়ে প্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্যের দিকে নিয়ে যাবেন।
  19. সময় সচেতনতা: নেতাকে সময় সচেতন হতে হবে কারণ তিনি সময় সচেতন না হলে প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জনে ব্যঘাত ঘটবে, অধস্তন ব্যক্তিরা কাজে ফাঁকি  দিতে চাইবে।
  20. সংশ্লিষ্ট কার্যবিষয় জ্ঞান: নেতা যে প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের প্রধান সে প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের যাবতীয় কাজ সম্পর্কে ধারণা থাকা আবশ্যক, অন্যথায় দক্ষতার সাথে কার্য পরিচালনা সম্ভব না।
  21. ভারসাম্য রক্ষার ক্ষমতা: পক্ষপাতমূলক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সংগঠন পরিচালনা না করে কর্মির ক্ষমতা ও দায়িত্বের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে। যদি প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি ও মতভেদ থাকে তবে তাঁদের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে।
  22. নমনীয় মনোভাব: নেতার বা প্রশাসকের সব সময় নমনীয় মনোভাব নিয়ে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা উচিৎ। প্রয়োজনে নীতি, সিদ্ধান্ত, পরিকল্পনা, আদেশ, নির্দেশ পরিবর্তন করে উপযোগী ধারা প্রবর্তন করা নেতার অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
  23. অনুসন্ধিৎসু:   নেতাকে অনুসন্ধিৎসু হতে হয়। কোনো ঘটনা বা সমস্যার কারণ অনুসন্ধানে উৎসাহী হলে তা সমাধান করাও সহজ হবে।
  24. সৃজনী প্রতিভা: প্রশাসক বা নেতাকে সৃজনী প্রতিভার অধিকারী হতে হয়। এর বিকাশ ঘটিয়ে প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কল্যাণ বয়ে আনা সম্ভব।
  25. আন্তরিকতা: প্রশাসক হবেন প্রতিষ্ঠান ও কথা কর্মিদের প্রতি আন্তরিক। 
  26. পরমতের ওপর শ্রদ্ধাশীলতা: পরমতের প্রতি স্রদ্ধাশীলতা যে-কোনো মানুষের অন্যতম একটি সুন্দর গুণ যা একজন প্রশাসক বা নেতার মধ্যে অবশ্যই থাকতে হয় যার দ্বারা তিনি সবার মতামতই সমান গুরুত্ব দিয়ে শুনবেন এবং উপযুক্ত হলে কাজে লাগাবেন।
  27. সাধারণ জ্ঞান: নেতা হবেন ব্যাপক সাধারণ জ্ঞানের অধিকারী। অজ্ঞ লোক কখনো নেতৃত্ব কিংবা সংগঠন চালাতে পারে না। 
  28. অধ্যবসায়: নেতাকে অধ্যবসায়ী হতে হবে। দৈনন্দিন খবর ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয়ে তিনি হবেন অধ্যবাসায়ী। 
  29. আত্মসমালোচনা: এক জন নেতার জন্য আত্মসমালোচনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর ভুল তিনি খুঁজে পেলে ভবিষ্যতে ভুল কম হবে। 
  30. সার্বিক ধারণা: নেতাকে প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সাথে জড়িত কর্মি, কাজ, সমাজ, বাজার, চাহিদা, মানুষের আচরণ ইত্যাদি সম্পর্কে সার্বিক ধারণা থাকতে হবে।

বিশ্লেষণ-এর সকল লেটেস্ট নিবন্ধ পেতে Google News-এ অনুসরণ করুন

নিবন্ধটি সম্পর্কে আপনার মতামত জানান আমাদেরকে। নিচের মন্তব্যের ঘরে সংক্ষেপে লিখুন আপনার মন্তব্য। মন্তব্যের ভাষা যদি প্রকাশযোগ্য হয় তবে তা এখানে প্রকাশিত হবে। আর যদি আপনার কোনো অপ্রকাশিত নিবন্ধ বিশ্লেষণ-এ প্রকাশ করতে চান তাহলে নিম্নোক্ত ইমেইলে তা পাঠিয়ে দিন নিজের নাম, পরিচয় ও ছবিসহ।

ইমেইল: [email protected]

8 টি মন্তব্য

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন
এখানে আপনার নাম লিখুন

এই বিভাগের অন্যান্য নিবন্ধ

সমাজমাধ্যম

সাম্প্রতিক মন্তব্য

সবচেয়ে জনপ্রিয়
সবচেয়ে জনপ্রিয়

গবেষণা: গবেষণার সংজ্ঞা, ধারণা ও প্রকারভেদ

গবেষণা হলো কোনো কিছু সম্পর্কে জানার জন্য নিয়মতান্ত্রিক ও ধারাবাহিকভাবে অনুসন্ধান প্রক্রিয়া এবং একটি গবেষণা শুধু একটি প্রকারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে দুই বা ততোধিক প্রকারের হতে পারে

শিক্ষা কী? শিক্ষার সংজ্ঞা, ধারণা এবং লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

শিক্ষা নিয়ে যারা কথা বলেছেন তাঁরা প্রত্যেকেই নিজের মতো করে ভেবে নিয়েছেন শিক্ষাকে, নিজের মতো করে সংজ্ঞা দিয়েছেন। শিক্ষাবীদ কিংবা মনিষী, যার সংজ্ঞাই দেখা হোক না কেন, খুব একটা সন্তুষ্ট হওয়া যায় না। তাই বলে যাদের হাত ধরে শিক্ষা ও শিক্ষাব্যবস্থা আজ পর্যন্ত এসেছে তাঁদের মতো শিক্ষাবিদ বা মনিষীদের বলে যাওয়া বা লিখে যাওয়া কথাগুলোকে এড়িয়ে চলাও সম্ভব নয়।

মূল্যবোধ কাকে বলে এবং মূল্যবোধের উৎস ও প্রকারভেদ কী?

মূল্যবোধ শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ হচ্ছে Value এটি গঠিত হয়েছে...

পরিবার কাকে বলে? পরিবারের সংজ্ঞা, ধারণা, প্রকারভেদ, কার্যাবলি ও গুরুত্ব কী?

আমরা জন্ম থেকেই পরিবারের সাথে পরিচিত। আমরা নিশ্চয়ই অবগত...

শিক্ষা: অভীক্ষার সংজ্ঞা এবং বৈশিষ্ট্য

শিক্ষাক্ষেত্রে অভীক্ষা খুবই পরিচিত একটি পদ। যারা শিক্ষাবিজ্ঞান পড়েছেন...

ব্যবস্থাপনা কী? ব্যবস্থাপনার সংজ্ঞা, পরিধি এবং গুরুত্ব সম্পর্কে আলোচনা

মানব সভ্যতার শুরু থেকেই ব্যবস্থাপনা বিভিন্ন মানব সংগঠনের সাথে...

ইতিহাস কাকে বলে? ইতিহাসের বিষয়বস্তু, উপাদান এবং ইতিহাস পাঠের প্রয়োজনীয়তা কী?

ইতিহাস পাঠ করার আগে আমাদের প্রত্যেকেরই জানা প্রয়োজন ইতিহাস কী, ইতিহাসের প্রকৃতি কীরূপ; আবার পাঠ্য বিষয় হিসেবে ইতিহাসের ভূমিকা কী। পাশাপাশি কোনো নির্দিষ্ট কালের এবং নির্দিষ্ট দেশের ইতিহাস জানার সাথে সমসাময়িক প্রাকৃতিক অবস্থা এবং পরিবেশ সম্পর্কেও ধারণা নেওয়া প্রয়োজন। এই নিবন্ধে ইতিহাসের সংজ্ঞা, বিষয়বস্তু, উপাদান এবং প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা হলো।

ব্যবস্থাপনা কী? ব্যবস্থাপনার নীতি বা মূলনীতি কয়টি ও কী কী?

ব্যবস্থাপনা কী? ব্যবস্থাপনা একটি বাংলা শব্দ যার ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো...

সুশাসন কী? সুশাসনের ধারণা, সংজ্ঞা ও উপাদান কী?

সুশাসন হলো এক ধরনের শাসন প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে ক্ষমতার...

শিখন-শেখানো পদ্ধতি ও কৌশল

পাঠকে ফলপ্রসূ করার জন্য শিক্ষক পরিস্থিতি অনুসারে একাধিক পদ্ধতি ও কৌশলের সংমিশ্রণে নিজের মতো করে পাঠ পরিচালনা করতে পারেন। পাঠের সাফল্য নির্ভর করে শিক্ষকের বিচক্ষণতা এবং বিষয়জ্ঞান ও শিখন পদ্ধতির যথাযথ প্রয়োগের উপর।

পাঠ পরিকল্পনা: পাঠ পরিকল্পনার সংজ্ঞা এবং হার্বার্টের পঞ্চসোপান ও আধুনিক ত্রিসোপান

শিক্ষার্থীরা কী শিখবে, কীভাবে তা শেখানো হবে এবং কীভাবে শিখন মূল্যায়ন করা হবে সে সম্পর্কে শিক্ষকের দৈনন্দিন নির্দেশনা হলো পাঠ পরিকল্পনা