একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি: উচ্চমাধ্যমিকের জন্য কোন কোন কলেজ ভালো হবে?

কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই এককভাবে শিক্ষার্থীকে বড়ো করেনা; বরং উপযুক্ত সুবিধা ও শিক্ষার্থীরাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বড়ো করে তুলতে পারে। হতে পারে আজকের একটি মেধাবী শিক্ষার্থীর জন্য জন্য অপেক্ষাকৃত নিচু মানের একটি কলেজও মাথা উঁচু করে একদিন বলবে, ‘আমারও সামর্থ্য আছে’। এর উল্টোও কিন্তু হতে পারে বড়ো মাপের প্রতিষ্ঠানের জন্যও।

প্রতি বছরই মাধ্যমিক (এসসসি) পরীক্ষার পরে এর ফলাফল নিয়ে বেশ আগ্রহের সৃষ্টি হয় দেশের প্রতিটি মহলে। এই পরীক্ষায় অংশ নেয়া শিক্ষার্থী এবং তাঁদের অভিভাবকদের  মধ্যে এ নিয়ে এ  নিয়ে আগ্রহের পাশাপাশি উদ্বেগও কাজ করে। ফলাফল কেমন হয় বা না হয়, ফলাফল প্রত্যাশা অনুযায়ী হবে কি না এসব নিয়েও শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকরাও কিছুটা চিন্তিত থাকেন। পরীক্ষা শেষে ফলাফলের পাশাপাশি আরেকটি বিষয় নিয়ে ভাবতে হয় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের, এতদিন যে প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে এসেছে সেই মান অনুযায়ী একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে কি না, বা আরো একটু ভালো মানের প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ারও ইচ্ছে জাগে শিক্ষার্থীদের।

বেশিরভাগ শিক্ষার্থীরই ইচ্ছে থাকে বড়ো শহরের বড়ো কলেজ কিংবা যেসব কলেজের ফলাফল বরাবরই ভালো এবং দেশজুড়ে এর নাম আছে এমন প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে। আবার কিছু শিক্ষার্থী আছে যারা চায় বেশ নাম করা বেসরকারি কলেজে ভর্তি হতে, যেখান থেকে তাঁরা আধুনিক বিশ্বের খুব কাছাকাছি চলে যেতে পারবে- এমন ইচ্ছে নিয়ে। কিছু শিক্ষার্থী চায় এমন কোন কলেজে ভর্তি হতে যেখান থেকে সে মোটামুটিভাবে উচ্চমাধ্যমিক শেষ করতে পারবে। এসবের বাইরে গিয়ে আরেক রকমের শিক্ষার্থী আছে যারা কোন রকমের কোন কলেজের বারান্দায় পা রাখতে পারলেই খুশি, সে হোক গাঁয়ের বা পাড়ার কলেজ বা শহরের দামি কলেজ।

ইচ্ছে জনে জনে ভিন্ন। যে যেমন কলেজেই ভর্তি হতে চায় না কেন, শেষ পর্যন্ত একটু কম পছন্দের বা অপছন্দের কলেজেই ভর্তি হতে হয় সিংহভাগ শিক্ষার্থীদের। ইচ্ছে যেমন জনে জনে ভিন্ন তেমনই সকলের মেধার মানও এক রকম নয়। ফলাফলের পরে বিষয়টা সম্পর্কে কিছুটা ধারণা পাওয়া যায়, তবে পরীক্ষার ফলাফল যে সব সময় সত্য কথা বলে সেটি কখনো বিশ্বাস করতে নেই।

দেখা যায়, ভালো ভালো শিক্ষার্থীরও অনেক সময় খারাপ করে, আবার ক্লাসে যে ছেলেটি অল্প অল্প নম্বর পেয়ে পাশ করে আসছে সে পাবলিক পরীক্ষাতে সর্বোচ্চ মানের ফল অর্জন করে ফেলল। এই যে একটি পার্থক্য আমাদের সামনে এনে দেয় সেটিও এমনি এমনি হয় না, বিশেষ কারণ থাকে। সেই কারণের মধ্যে থাকে যারা পরীক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন পর্যায়ের সাথে জড়িত তাঁদের কোনো ভুল সিদ্ধান্ত কিংবা শিক্ষার্থীর নিজের সাথেই ঘটে যাওয়া কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত বিষয়। যেমন, যে ছেলেটি বা মেয়েটি সব সময় ক্লাসে প্রকৃতভাবেই ভালো করে এসেছে কিন্তু দেখা গেল পাবলিক পরীক্ষার সময় হঠাৎ করে তাঁর শরীর খারাপ হলো কিংবা তাঁর পরিবারে বা আশেপাশে এমন কিছু ঘটলো যা ওই ছেলে বা মেয়ের চুড়ান্ত পরীক্ষায় নেতিবাচক প্রভাব পড়লো যার কারণে তার ফলাফলও খারাপ হল বা আশা অনুযায়ী হয়নি। আবার এমনও হয়, ভালো মানের শিক্ষার্থী না হবার পরেও অসদুপায় অবলম্বন করে খুব ভালো ফল অর্জন করে কেউ। তবে তুলনামূলক ভাবে মন্দ শিক্ষার্থীরাও কখনো কখনো নিজের চেষ্টায় ভালো ফল অর্জন করতে পারে তেমনও প্রমান আমাদের মাঝে আছে। যে যেমন মানের শিক্ষার্থী হোক বা ফলাফল যেমনই আসুক, সবার মনেই কম বেশি পরবর্তি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেখানে যে পরের দুই বছর শিক্ষা নিবে সেটি নিয়েও আগ্রহ বা ভাবনা কম থাকেনা।

ফলাফল প্রকাশ হয়ে গেলে যেন এই আগ্রহ-উদ্দীপনা আরও প্রকাশ পেয়ে যায়। বর্তমানে সারাদেশেই একই পদ্ধতি এবং একটি মাত্র ওয়েবসাইট ব্যবহার করে কেন্দ্রীয়পভাবে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি সংক্রান্ত কার্যাবলী পরিচালনা করা হয়, সেটি সবারই জানা। এখানে শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত অনলাইন ফরম পূরণ করে নিজেদের কলেজ পছন্দক্রম দিতে হয় এবং পরবর্তিতে শিক্ষার্থীদের মেধা তালিকা অনুযায়ী এই পছন্দক্রম অনুসরণ করেই শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন কলেজে ভর্তি করার জন্য সুপারিশ করা হয়। খুবই সহজ একটি বিষয়, কিন্তু এই সহজ বিষয়টিই কিছুটা কঠিন হয়ে যায় যখন কলেজ পছন্দ ও পছন্দক্রম সাজানোর সিদ্ধান্ত নিতে হয়।

কলেজ পছন্দ অ পছন্দক্রম শুধু যে শিক্ষার্থীর ওপরই একটি চাপ প্রয়োগ করে সেটি নয়, অভিভাবকদেরও একটি বিশেষ চাপে ফেলে। কোন কলেজ কি রকম, কোথায় কেমন পড়াশোনা হয় বা সেখানের শিক্ষকগণ কেমন, বাড়ি থেকে দূরত্ব কতটুকু, কলেজে খরচ কেমন হবে, কলেজে আশা যাওয়ার অর্থাৎ যাতায়াত খরচের কথাও চিন্তা করতে হয়। আবার অনেকেই আছেন যারা অর্থের কথা চিন্তা করেন না বরং যেসব কলেজে অপেক্ষাকৃত ভাবে অর্থের পরিমান কম লাগে সেসব কলেজে ছেলেমেয়েকে ভর্তি করানোর কথা কখনোই চিন্তা করেন না, এতে তাঁরা নিজেদের সামাজিক অবস্থান নড়বরে হয়ে যাওয়ার ভয় পান বা সংক্ষেপে চক্ষুলজ্জাও বলা যায়, একে অবশ্য আমি বিকৃত মানসিকতাই বলব।

কলেজ পছন্দ করার জন্য যেসব বিষয় মাথায় রাখা প্রয়োজন তা সংক্ষেপে বলছি। বাংলাদেশে আমরা যাকে বড়ো কলেজ বলি সেগুলোর বেশিরভাগই সরকারি তবে এর বাইরে আরো কিছু বড়ো কলেজ রয়েছে যেগুলো বেসরকারি কিন্তু ফলাফল প্রতিবারই ভালো করে। আমাদের একটি ধারণা জন্মে গেছে বড়ো কলেজে ভর্তি হতে পারা মানেই হলো ভালো ফল প্রাপ্তি। কিন্তু বিষয়টি যদি এমনই হতো তবে, আমরা দেশে কোচিং সেন্টারগুলো দেখতে পেতাম না বা এর সংখ্যা অনেক কম থাকতো।

অনেকেই মনে করেন সরকারি কলেজের শিক্ষকগণ যেহেতু বিসিএস ক্যাডার সেহেতু এখানের তাঁরা খুব গুরুত্ব সহকারে পড়ান। কিন্তু যারা এইসব কলেজে পূর্বের বছর গুলোতে ভর্তি হয়েছেন, তাঁদের সাথে কথা বলে জানা যায়- শিক্ষকরা অনেক কিছুই জানেন কিন্তু সমস্যা হলো বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কারণে এই কলেজগুলো ব্যস্ত থাকে যা উচ্চমাধ্যমিকের শ্রেণিকার্য পরিচালনার ক্ষেত্রে সমস্যার সৃষ্টি করে, তবে সকল সরকারি কলেজের ক্ষেত্রে এমনটি সত্য নয়। অনেকেই বলেছেন, তাঁদের শিক্ষকগণ তাঁদের ক্লাস ঠিক মতো নেন না। কখনো আবার শিক্ষকরা দৈব কারণে ক্লাস নিয়মিত না হওয়ার অজুহাত দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের বাসায় ডাকেন অর্থাৎ প্রাইভেট পরার আহ্‌বান জানান। সুতরাং, অন্যত্র খরচ বেশি হওয়ায় এবং সরকারি কলেজে পড়াশোনার খরচের পরিমান কম বলে যারা ভর্তি হয়ে থাকে তাঁরা অনেক সময় বিপদের সম্মুখীন হতে পারেন। আরেকটি কথা, কেউ বিসিএস ক্যাডার মানেই এটা নয় যে, তিনি খুব ভালো পড়াতে পারেন।

বেসরকারি কলেজের শিক্ষাদান মান কেমন সেটি নিয়ে প্রশ্ন করার আগে শিক্ষক মান নিয়ে কথা বলা যেতে পারে। বর্তমানে যারা বেসরকারি কলেজের শিক্ষক হিসেবে নিয়োজিত আছেন তাঁদের বেশিরভাগেরই প্রশিক্ষণ নেই, নতুন শিক্ষকরা অর্থাৎ যারা ২০০৫ এর পরে নিয়োগ প্রাপ্ত তাঁদের কেবল অতিরিক্ত হিসেবে রয়েছে শিক্ষক নিবন্ধন সনদ। কিন্তু বাংলাদেশে যারা শিক্ষক নিবন্ধনের সনদ প্রদান করেন তাঁরা ঠিক যে মাপের ওপর ভিত্তি করে নিবন্ধন করে থাকেন সেটি খুব একটা ফলদায়ক নয়। বেশ কিছু বড়ো মাপের বেসরকারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে সেখানে নিজেদের মতো করে ন্যূনতম হলেও মান বজায় রেখে শিক্ষাদানের চেষ্টা করে, তবে কথা হলো এসব জায়গায় খরচের পরিমান খুব বেশি। খরচ বেশি দিয়ে পড়াশোনা করেও যে ছেলেমেয়েরা ভালো করতে পারছে বা খরচ অনুসারে প্রতিষ্ঠানগুলো ঠিক ভাবে কাজ করতে পারছে সেটিও নয়।

মান, অর্থ, অবয়ব কিংবা অবকাঠামোর ওপর ভিত্তি করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আমরা বিভিন্ন ভাগে ভাগ করলেও শেষ পর্যন্ত আমরা ফলাফলকেই প্রাধান্য দেই। কারণ প্রতিষ্ঠানের অবয়ব কিংবা মান কোন শিক্ষার্থীর মান বৃদ্ধিতে যথেষ্ট নয়, যদিও এসবের আনুকূল্য থাকাটা জরুরি। কখনো এমনও হতে দেখবেন- আপনার পাড়ার কলেজ বা স্কুলটিকে অবজ্ঞা করে আপনি অন্যত্র যাবেন ঠিকই, কিন্তু বছর শেষে দেখতে পাবেন আপনার চোখে নিম্নমানের ওই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষারথীরাই আপনি যেখানে গেলেন বা পড়লেন সেখানের শিক্ষার্থীদের চেয়ে ভালো করেছে। এমনও হতে পারে- আপনি যেখানে পড়াশোনা করেছেন সেখানের অন্য ছেলেমেয়েরা ভালো ভালো ফলাফল নিয়ে উত্তীর্ণ হতে পারলেও আপনি লজ্জা পাচ্ছেন আপনার ফলাফল নিয়ে।

আমি ঠিক জানিনা, আপনি আমার এই ছোটো আকারের ব্যাখ্যাহীন প্রবন্ধ থেকে কি বুঝতে পেরেছেন তবে মাধ্যমিকের পরে কলেজ পছন্দক্রম সাজানোর যেসব বিষয়গুলো মাথায় রাখা জরুরি সেসবের মধ্যে নিম্নোক্ত চারটি বিষয় খুবই গুরুত্বপুর্ণ, যথা-

কলেজে ভর্তি হওয়ার আগে যা নিয়ে ভাবতে হবে-

১. ফলাফল:

ফলাফলের দ্বারাই অনেকটা নির্ধারণ হয়ে যায় ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী একাদশ শ্রেণিতে কোন কোন প্রতিষ্ঠানে যেতে পারবে, কোন কোন প্রতিষ্ঠানে যেতে পারবেনা; কলেজগুলোরও চাহিদা থাকে যে, কোন মানের ফলাফলের নিচে শিক্ষার্থী তাঁরা নিবে বা নিবে না।

২. কলেজের মান:

কলেজের মান বিচারের জন্য কখনোই বড়োমাপের গবেষণার প্রয়োজন নেই, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত অবস্থা, পরিচিতি এবং অনলাইন থেকে বিগত কয়েক বছরের ফলাফল জানাই যথেষ্ট; এর চেয়ে গভীর ভাবে বা ভেতরে গিয়ে কখনোই প্রতিষ্ঠানের মান যাচাই সম্ভব নয় তাছাড়া সময়ও কম; প্রাথমিক ভাবে শুধু ধারণা নেয়াই যথেষ্ট।

৩. অর্থ:

উচ্চবিত্তের মানুষের জন্য এটি ডালভাতের মতো মনে হলেও মধ্যবিত্ত বা নিম্নবিত্তের মানুষের জন্য সব থেকে মাথায় যে বিষয়টি রাখতে হয় সেটি আর্থিক অবস্থা। যেকোন কিছুর জন্যই অর্থ সব চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কোন প্রতিষ্ঠানে কেমন খরচ হয় কিংবা বর্তমান সময়ে যেহেতু প্রাইভেট পড়ার বা কোচিংয়ে যাওয়ার প্রবণতা আছে কিংবা অনেক সময় বাধ্য হয়েই যেতে হয়, সুতরাং এই বিষয়টি নিয়ে একটু ভাবা উচিৎ, খোঁজ নেওয়া উচিৎ যে, কোথায় ভর্তি হলে বা করালে অর্থের পরিমান কিছুটা হলেও কম লাগবে। যদিও আমি কখনোই প্রাইভেট কোচিং সমর্থন করিনা, সময় বিবেচনায় একটু স্মরণ করিয়ে দিলাম। এরপরে আরেকটি কথা হলো, অর্থ থাকলেই যে ব্যয় করতে হবে সেটিরও বিশেষ কোনো মানে নেই।

৪. দূরত্ব:

বাড়ি থেকে কলেজের দূরত্ব নিয়ে ভাব উচিৎ। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যতটা সম্ভব বাড়ির কাছে হলেই ভালো হয়। এতে করে শিক্ষার্থীর খুব একটা পরিশ্রম করতে হবেনা কলেজে যাওয়া আসার জন্য যা শিক্ষার্থীকে অতিরিক্ত চাপ থেকে দূরে রাখবে। পাশাপাশি নিরাপত্তার প্রশ্নে একটু বেশি নিরাপদ থাকবে যদি কলেজ দূরে না হয়ে কাছে হয়।

মান সমৃদ্ধ কলেজ মানেই বিশেষ কোন শিক্ষার্থীকে তাঁদের মানের মতো করে তুলতে পারেনা। কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই এককভাবে শিক্ষার্থীকে বড়ো করেনা; বরং উপযুক্ত সুবিধা ও শিক্ষার্থীরাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বড়ো করে তুলতে পারে। হতে পারে আজকের একটি মেধাবী শিক্ষার্থীর জন্য জন্য অপেক্ষাকৃত নিচু মানের একটি কলেজও মাথা উঁচু করে একদিন বলবে, ‘আমারও সামর্থ্য আছে’। এর উল্টোও কিন্তু হতে পারে বড়ো মাপের প্রতিষ্ঠানের জন্যও।

আপনার সিদ্ধান্ত

সিদ্ধান্ত প্রত্যেকের নিজের ও পরিবারের, তবে হুট করে সিদ্ধান্ত নেয়া ঠিক হবে না। সময় নিয়ে পরিবারের সবার সাথে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে কলেজের পছন্দক্রম সাজানো উচিৎ। ওপরে যে চারটি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে তা নিয়ে অবশ্যই ভাবতে হবে। সবার জন্য শুভকামনা।

মু. মিজানুর রহমান মিজানhttps://www.mizanurrmizan.info
মু. মিজানুর রহমান মিজান সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, ঢাকায় মাস্টার অব এডুকেশন প্রোগ্রামের শিক্ষার্থী এবং একজন স্বাধীন লেখক। তিনি শিক্ষা গবেষণায় বেশ আগ্রহী।
এ বিষয়ের আরও নিবন্ধ

‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়তে প্রয়োজন দক্ষ জনসম্পদ

জনশক্তি রপ্তানিতে রেকর্ড হলেও বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ন বা রিজার্ভের অন্যতম প্রধান উৎস প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স প্রবাহের হার কমেছে বিদায়ী বছরে। সদ্য শেষ...

বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগে ইউজিসির স্বতন্ত্র কমিশন গঠনের প্রস্তাব: দুর্নীতি প্রতিরোধ করতে পারবে?

জানুয়ারি ১২, ২০২৩ তারিখ সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের কাছে বাংলাদেশের ইউনিভার্সিটি গ্রান্ট কমিশন (ইউজিসি) ১৭ দফা সুপারিশ সহ একটি বার্ষিক প্রতিবেদন...

‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বাস্তবায়নের জন্য যা প্রয়োজন

স্মার্ট বাংলাদেশ মানেই আধুনিক কারিগরি প্রযুক্তির সর্বাত্মক ব্যবহার নয়। একজন মানুষ সে নারী অথবা পুরুষ হোক না কেন তার সাজসজ্জা পোশাক-আশাক, চলন-বলন...

প্রবাসে নাগরিকত্ব গ্রহণকারী বাংলাদেশি ও রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের নিয়ে কৌশল, চ্যালেঞ্জ এবং এগিয়ে যাওয়ার পথ বাধা সমন্বয়হীনতা  

বাংলাদেশ হাই কমিশন, লন্ডন এর উদ্যোগে এবং অনুরোধে গত ১৮ ডিসেম্বর ২০২২ তারিখে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক স্মারকে জানানো হয়েছে যে, এখন থেকে...
আরও পড়তে পারেন

টপ্পা গান কী, টপ্পা গানের উৎপত্তি, বাংলায় টপ্পা গান ও এর বিশেষত্ব

টপ্পা গান এক ধরনের লোকিক গান বা লোকগীতি যা ভারত ও বাংলাদেশের বাংলা ভাষাভাষী মানুষের কাছে খুবই প্রিয়। এই টপ্পা গান বলতে...

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বলতে কী বোঝায় এবং ভারতীয় উপমহাদেশে রাজনীতি বা রাষ্ট্রচিন্তা

রাষ্ট্রবিজ্ঞান (Political Science) সমাজবিজ্ঞানের একটি শাখাবিশেষ যেখানে পরিচালন প্রক্রিয়া, রাষ্ট্র, সরকার এবং রাজনীতি সম্পর্কীয় বিষয়াবলী নিয়ে আলোকপাত করা হয়।  এরিস্টটল রাষ্ট্রবিজ্ঞানকে রাষ্ট্র...

গণতন্ত্রের সংজ্ঞা কী বা গণতন্ত্র বলতে কী বোঝায়

গণতন্ত্র বলতে কোনো জাতিরাষ্ট্রের অথবা কোনো সংগঠনের এমন একটি শাসনব্যবস্থাকে বা পরিচালনাব্যবস্থাকে বোঝায় যেখানে নীতিনির্ধারণ বা সরকারি প্রতিনিধি নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রত্যেক নাগরিক...

সমাজতন্ত্র কী? সমাজতন্ত্রের উৎপত্তি, ইতিহাস, বৈশিষ্ট্য, সুবিধা, অসুবিধা ও অর্থনীতি

সোভিয়েত ইউনিয়নে সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র কায়েম করা হয়েছিল ১৯১৭ সালে। সমাজতন্ত্রে বৈরি শ্রেণি নেই, কেননা কলকারখানা, ভূমি, সবই সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সম্পত্তি। সমাজতন্ত্রে শ্রেণি...

জীবনী: সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী

সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী ছিলেন একজন বাঙালি লেখক ও কবি। তিনি উনিশ ও বিশ শতকে বাঙালি মুসলিম পুনর্জাগরণের প্রবক্তাদের একজন। সিরাজী মুসলিমদের...

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here