বুধবার, ডিসেম্বর ১, ২০২১

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলে পঞ্চপাণ্ডব এবং তরুণরা সাড়ে নয় ওভারে অলআউট

পঞ্চপাণ্ডবের আমলে দেশের ক্রিকেট অনেক এগুলেও প্রত্যাশিত ফল দল এখনো পায়নি। অনেক দূর এগুলেও কেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে এখনো দল নিয়ে সম্মানজনক পরাজয় খুঁজতে হয় সেটা আমার বোধগম্য নয়।

আমার ঠিক মনে নেই, কবে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলে মাশরাফি বিন মরতুজা, মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল এবং মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের মধ্যে কেউ একজনকে ছাড়া খেলেছিল। মিডিয়ার দেওয়া তথ্য অনুসারে পনেরো বছর পর দেশের এই পঞ্চপাণ্ডব ছাড়া নেপিয়ারে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলের বিপক্ষে ২০ আন্তর্জাতিক ম্যাচে নেমেছে বাংলাদেশ।

মাশরাফি বিন মর্তুজার অবসর

২০ ওভারের ম্যাচে অর্থাৎ টি-টোয়েন্টিতে দেশের সেরা এই পাঁচজন খেলোয়াড়ের মধ্যে মাশরাফিকে দেশের জার্সি গায়ে আর দেখা যাবে না সেটা অনেক আগেই নিশ্চিত হয়েছে শ্রীলঙ্কার মাটিতে একটি সিরিজ চলাকালীন তাঁর ক্রিকেটের এই স্বল্পতম দৈর্ঘ্যের ফরম্যাট থেকে অবসরের মাধ্যমে; পাশাপাশি ইনজুরির কারণে তাঁর পক্ষে টেস্টও খেলা হচ্ছে না। সাবেক এই অধিনায়ককে অনেক দিন ধরেই দেখা যাচ্ছে না একদিনের আন্তর্জাতিক (ওডিআই) ম্যাচে। বাংলাদেশ জাতীয় দলের সফলতম অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা বর্তমানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বাইরে থাকলে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো টেস্ট এবং ওডিআই থেকে অবসর নেননি। পাঁচ তারকার প্রথম তারকার নিউজিল্যান্ডে টি-টোয়েন্টি ম্যাচে খেলার সুযোগ যে ছিল না সেটা বিশেষ করে বলে দেবার প্রয়োজন নেই।


মুশফিকুর রহিম কেন ছিলেন না?

বাংলাদেশের অন্যতম সেরা ব্যাটার এবং বাংলাদেশ ক্রিকেটের ইতিহাসে সেরা উইকেট রক্ষক হলেন মুশফিকুর রহিম, যাকে এদেশের ক্রিকেটের গণমাধ্যম রান মেশিন বলে ডাকেন। দেশের অন্যতম সেরা এই ক্রিকেটারকে ‘রান মেশিন’ বলে ডাকা বা না ডাকা নিয়ে আমার কোনো আপত্তি থাকার কথা নয় কিন্তু তাকে যে কারণে ‘রান মেশিন’ সম্বোধন করা হয় সেটির সাথে আমি ঠিক একমত নই। তবে আমি বলতে পারি, মুশফিকুর এদেশের ক্রিকেটের সেরা উইকেট রক্ষক হিসেবে ধরাই যায়। তিনি নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওডিআই ম্যাচগুলোতে ছিলেন কিন্তু তিনি কেন ছিলেন না নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত দুই টি-টোয়েন্টি ম্যাচে? মুশফিকুর রহিম কাঁধের ইনজুরিতে পড়েছেন বলে তাকে বিশ্রামে রাখতে চেয়েছেন দলের নির্বাচকরা। এ কারণেই তাকে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ও শেষ টিটোয়েন্টিতে দেখা যায়নি।

সাকিব আল হাসানের না খেলা

সাকিব আল হাসান নিউজিল্যান্ডে খেলবেন না সেটা আগে থেকেই ঠিক ছিল। তিনি ছুটি নিয়েছিলেন নিউজিল্যান্ড সফর থেকে। তবে এ মুহূর্তে যদি করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট মহামারী পরিস্থিতি না থাকতো তাহলে বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান সর্বশেষ এই টি-টোয়েন্টিতে থাকতে পারতেন। এই বিষয়ে সাকিব আল হাসানও বলেছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে তিনি দলের সাথে যোগ দিতেন এবং খেলতেন। এই সফরে সাকিব আল হাসান না থাকায় দল যেভাবে মাটিতে গড়াগড়ি খাচ্ছিল তা দেখতেই পেয়েছেন তাঁরা যারা নিউজিল্যান্ড বনাম বাংলাদেশ সিরিজ অনুসরণ করেছেন।

তামিম ইকবাল কেন ছুটি নিলেন?

যদিও কিছুটা আগেই তামিম ইকবাল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড থেকে ছুটি নেওয়ার ব্যাপারে জানিয়েছেন কিন্তু বাংলাদেশ ক্রিকেট টিমের খেলা যারা দেখতে অভ্যস্ত তাঁদের মধ্যে অনেকেই অবাক হয়েছিলেন। তামিম ইকবালকে এরকম ছুটি নিতে দেখা যায় না। জানা গেল তিনি ছুটি নিয়েছেন ব্যক্তিগত কারণে। তবে কী সেই ব্যক্তিগত কারণ তা জানা সম্ভব হয়নি। যা জানা গেল তা হলো- তামিম ইকবাল নিজের ক্রিকেট ক্যারিয়ারকে লম্বা করতে কোনো একটি ফরম্যাট থেকে অবসর নিবেন। টেস্ট ক্রিকেট, ওডিআই ক্রিকেট নাকি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট থেকে তামিম ইকবাল অবসর নিতে চান তা খোলাসা করেননি। তিনি কি তবে টি-টোয়েন্টি থেকেই অবসর নিতে চলেছেন?- প্রশ্নের উত্তর যা-ই হোক, কথা হলো বাংলাদেশ ক্রিকেট দল তামিক ইকবালকেও ওই বিশেষ ম্যাচে পায়নি।

অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের কী হয়েছিল?

বর্তমান বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের নিয়মিত টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ খেলেননি নেপিয়ারের ম্যাচে। কিন্তু তিনি খেলেননি কেন? অধিনায়কই নেই দলে, বিষয়টি কেমন যেন একটু এক্সপেরিমেন্টাল মনে হয়েছে আমার কাছে। অবশ্য আমার ধারণার পরিবর্তন ঘটে তখন যখন জানতে পারি অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহও ইনজুরিতে পড়েছেন। নিশ্চিত হলো, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বা বিসিবির নির্বাচকরা ওই ম্যাচে নতুনদের সামর্থ্য নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করেননি।

বাংলাদেশ ক্রিকেটে ‘পঞ্চপাণ্ডব’ এবং সাড়ে নয় ওভার খেলে মাত্র ৭৬ রানে অলআউট

আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশের সেরা ও সবথেকে নিয়মিত ক্রিকেটারের সংখ্যা হলো পাঁচ; টি-টোয়েন্টির ক্ষেত্রে আবার চার। বহু ক্রিকেটার এসেছেন আবার বহু ক্রিকেটার ঝরে গিয়েছেন। তবে মাশরাফি বিন মুর্তজা, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ এবং তামিম ইকবালই হতে পেরেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের ‘বিকল্প নাম’। এই পাচঁজন একসাথে খেলেছেন অনেক ম্যাচ, দলের জন্য জয়ও এনে দিয়েছেন অনেক। বিগত পনেরো বছর এদের কেউ একজন ছাড়া জাতীয় দল সাজানো যায়নি। গণমাধ্যম এই পাঁচজনকে একত্রে বলে থাকে ‘পঞ্চপাণ্ডব’। এদের নিয়ে সমালোচনাও কম হয়নি এই দীর্ঘ সময়ে। বাংলাদেশের ক্রিকেট দর্শকেরা বারবারই বলে যাচ্ছেন দলকে ঢেলে সাজানোর। তাঁদের অভিযোগ, দেশের এই নামকরা ক্রিকেটারদের মধ্যে কারও কারও আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার সামর্থ্য নেই। তাঁরা দেখতে চান নতুন এক বাংলাদেশ দল। যেখানে থাকবে সব তরুণ, মেধাবী ও সামর্থ্যবান খেলোয়াড়। তামিম ইকবালকে নিয়ে নিয়মিতই সমাজমাধ্যমে ব্যঙ্গ করা হয়, এ থেকে বাদ যান না মুশফিকও। মাশরাফি যতদিন দলের অধিনায়ক ছিলেন, তাকে বলা হতো ‘অধিনায়ক’ হিসেবেই খেলে যাচ্ছেন, শেষের কিছুদিন তাকে শুনতে হয়েছে ‘এমপি’ কোটায় খেলছেন। তামিম, মুশফিক কিংবা মাশরাফিকে নিয়ে যেরকম সমালোচনা উঠেছিল বা এখনো চলছে সেরকম ঠিক মাহমুদউল্লাহ কে নিয়ে তেমন শোনা যায়নি।

মাশরাফি সম্পর্কে এখানে আলোচনা করা খুব একটা উপযুক্ত নয় যেহেতু তিনি টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নিয়েছেন তবে অপ্রাসঙ্গিকও নয়। মাশরাফি অবসর নেওয়ার পর অনেক ম্যাচই খেলেছে বাংলাদেশ তবে সাফল্য এসেছে কতটুকু? সাকিব আল হাসান ছুটি নিয়েছেন, যার ফলে সব চেয়ে সেরা এই দুই ক্রিকেটারকে পায়নি দল। নিউজিল্যান্ড সফরে যাবার আগেই তামিম ইকবাল ছুটি নিয়েছেন টি-টোয়েন্টি থেকে। কিন্তু কেন নিলেন এ ছুটি? একাত্তর টিভির খেলাযোগে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তামিম ইকবাল জানালেন, এটা শুধুই ব্যক্তিগত। তবে গুঞ্জন উঠেছে, তামিম ইকবালকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) টি-টোয়েন্টি খেলাতে চায় না এবং তামিম একবাল কিছুটা আভাষও দিয়েছেন যে, তিনি কোনো একটি বা দুইটি ফরম্যাট ছেড়ে দিবেন। উইকেট রক্ষক-ব্যাটার মুশফিকুর রহিমের কাঁধের ইনজুরির কারণে তিনি খেলেননি প্রথম ট-টোয়েন্টি। পঞ্চপাণ্ডবের মধ্যে ছিলেন শুধু রিয়াদ। পরের ম্যাচে, অর্থাৎ যেই ম্যাচকে ফোকাস করে এই আলোচনা, সে ম্যাচে নেই অধিনায়ক রিয়াদও। বিসিবি ইচ্ছে করে না হলেও একটা এক্সপেরিমেন্ট হয়ে গেল। ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে ম্যাচটি ১০ ওভারে নেমে আসে। কিন্তু সেই ম্যাচে যেতার কথা দূরে থাক, বাংলাদেশ অলআউট হলো ৭৬ রানে। ৭৬ রানে অলআউট যখন হয় তখনো হাতে ছিল তিনটি বল। মাত্র ৫৭ বল খেলার সামর্থ্য রয়েছে এই তরুণ দলের? বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড কি এ নিয়ে কিছু ভাবছে? বাংলাদেশ ক্রিকেট দলে আর বিশেষ কোনো প্রতিভাবান এবং সামর্থ্যবান খেলোয়াড় নেই সেটা বোঝা গেল এই ম্যাচের মাধ্যমে। লোকের ধারণা, এ বাংলাদেশ দল আরেকটি জিম্বাবুয়ে অথবা কেনিয়াতে রূপ নিবে।

সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ কতদিন খেলবেন?

সাকিব আল হাসান ছাড়া আমি আর কোনো ক্রিকেটারের ভবিষ্যৎ রাস্তা ঠিক পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছি না। তিনি আপাতত সামনের ৪ বছর টার্গেট করে দলের হয়ে খেলবেন এবং বিসিবিও সেটা চাইবে। তিনি তিন ফরম্যাটেই খেলবেন। কিন্তু এই চার বছর পর কি আরেকটা সাকিব আল হাসান বাংলাদেশ পাবে? মেহেদি হাসান মিরাজরা কি প্রস্তত? সাকিব আল হাসান মাঠে নামলে টেকনিক্যালি একটা প্লেয়ার বেশি খেলানো যায়, তবে আমি বলি- সাকিব মাঠে থাকলে অন্তত তিনজনকে নিয়ে চিন্তা করতে হয় না।

তামিম ইকবাল অচিরেই একটি বা দুইটি ফরম্যাট ছেড়ে দিবেন, অনুমান করতে পারি টি-টোয়েন্টি বা টেস্টই হবে সেটা। তবে ওয়ান ডে ইন্টারন্যাশনাল (ওডিআই) চালিয়ে গেলেও তাঁর সামর্থ্য এখন তলানিতে, কে জানে তিনি আবার অধিনায়ক হিসেবেই মাঠে নামতে চাইবেন কি না।

মুশফিকুর রহিমের উইকেট রক্ষণ বা উইকেট কিপিং নিয়ে ক্রিকেট দর্শক, ভক্ত ও আলোচক-সমালোচকরা অনেক আগ থেকেই প্রশ্ন তুলছেন, স্বয়ং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডও। তবে বাংলাদেশ ক্রিকেটে গত পনেরো বছরে বেশ কয়েকজন উইকেট রক্ষক ব্যাটার দেখেছি কিন্তু তাঁরা কতটুকু সক্ষম মুশফিকুর রহিমের বিপরিতে? লিটন দাসের প্রসঙ্গেই যদি আসি, তিনি অনেক দিন ধরেই খেলছেন এবং উইকেট রক্ষক হিসেবেও। সর্বশেষ ম্যচেও তিনি অধিনায়কত্ব করার পাশাপাশি উইকেট রক্ষক-ব্যাটসম্যান ছিলেন। কী অবদান ছিল তাঁর এই তিনটি ডিপার্টমেন্টে? সোহান বা আনামুল হক বিজয়দেরকে কেন এখন পাওয়া যাচ্ছে না? মিঠুনকে নিয়ে বিশেষ কিছু বলার নেই।

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, যাকে আমরা সাইলেন্ট কিলার হিসেবে জানি। আমার মনে হয়, দলে যারা সবচেয়ে নিয়মিত খেলেছেন তাঁদের মধ্যে সবচেয়ে অবহেলিত ক্রিকেটারের নাম মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তাকে দলে রাখা না রাখা, ব্যাটিং অর্ডারের অহেতুক পরিবর্তন, অবদানকে খাটো করে দেখাসহ নানা বিষয়ের মধ্য দিয়ে গিয়েছেন তিনি। আমরা দেখেছি, তিনি যখন উপরের দিকে খেলেছেন তখন তিনি সবথেকে ভালো করেছেন। নিচের দিকে খেলেও ভালো করেছেন বেশিরভাগ সময়, তবে দলীয় পারফরম্যান্সের কারণে হয়ত ফলাফল পক্ষে আসেনি অনেক ক্ষেত্রেই। তবে সে যাই হোক, আরেকতা মাহমুদ উল্লাহ কে? সৌম্য সরকার বা মোসাদ্দেক হোসেনের মতো যারা আছেন তাঁদের নিয়ে বিসিবির ভাবনা এখনো পরিষ্কার নয়।

ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং নিয়ে বিসিবির বিশেষ চিন্তা কী?- উত্তরটা আমি এখনো পরিষ্কার করে বলতে পারব না, তবে আমি এর উত্তর খোঁজার চেষ্টা করব।

শেষ কথা

পঞ্চপাণ্ডবের আমলে দেশের ক্রিকেট অনেক এগুলেও প্রত্যাশিত ফল দল এখনো পায়নি। অনেক দূর এগুলেও কেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে এখনো দল নিয়ে সম্মানজনক পরাজয় খুঁজতে হয় সেটা আমার বোধগম্য নয়। এই পাঁচতারকা বা গণমাধ্যমের চোখে পঞ্চপাণ্ডব দল চলে যাচ্ছেন সময়ের ব্যবধানে কিন্তু দল যারা চালাচ্ছেন বা দল যারা সাজাচ্ছেন বা বিভিন্ন বিষয় দেখভাল করা থেকে শুরু করে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন তাঁদের কি চলে যাওয়ার সময় আসবে? বোর্ডে কোনো পরিবর্তন না এলে ক্রিকেটে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়। শেষ কথার শেষ কথা হলো- বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে পেশাদারিত্বের ঘাটতি আছে।

মু. মিজানুর রহমান মিজানhttps://www.mizanurrmizan.info
শিক্ষার্থী, মাস্টার অব এডুকেশন, সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, ঢাকা এবং স্বাধীন লেখক।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন
এখানে আপনার নাম লিখুন

এই বিভাগের সাম্প্রতিক নিবন্ধ